বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

জামাল ভূঁইয়া ও তারিক কাজী দেশের বাইরে। ফিনিশ পাসপোর্ট সমস্যার সমাধান করতে তারিক কাজী আছেন ফিনল্যান্ড। তাঁরা কবে নাগাদ আসবেন সংশয় রয়েছে। ডিফেন্ডার ইয়াছিন খান ও আতিকুজ্জামান আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত যোগ দেননি ক্যাম্পে। সাদ উদ্দিন আজ এলেও অনুশীলন করেননি।

এ অবস্থায় নতুন কোনো খেলোয়াড় এখনো ডাকেননি কোচ। তবে আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছে, অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপের বাছাই খেলে উজবেকিস্তান থেকে শ্রীলঙ্কায় চলে যাবেন ৬ ফুটবলার। সেই ৬ ফুটবলার যোগ দিলেও ক্যাম্পে মানসম্মত অনুশীলনের জন্য আরও ফুটবলার দরকার কোচ লেমোসের। কিন্তু সেটিও পাচ্ছেন না লেমোস।
এ নিয়ে হতাশা থাকলেও তা মনের মধ্যেই লুকিয়ে রাখছেন নতুন কোচ। আজ অনুশীলন শেষে লেমোস বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত এখনো আমরা সব খেলোয়াড়কে পাইনি। এতে কিছু করার নেই। খেলোয়াড়দের নানা সমস্যা রয়েছে। তবে যা আছে, তা নিয়েই এখন আমাদের সামনে এগোতে হবে। দেখা যাক কী হয়।’

default-image

নিজের কোচিং–জীবনে এমন পরিস্থিতিতে আগে কখনো পড়েননি লেমোস। বাংলাদেশের ফুটবলে এটা নজিরবিহীন ঘটনা। জাতীয় দলের ক্যাম্পে আসতে ফুটবলারদের অনীহা ও ঢিলেঢালা মনোভাব আগে এতটা প্রকটভাবে দেখা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফুটবলার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে এসে সবাই ক্লান্ত। অনেকেই শ্রীলঙ্কা যেতে অনীহা দেখাচ্ছে। তবে মুখে হয়তো বলছে না।’ অনীহা দেখানো ফুটবলারদের কি কোনো শাস্তি দেবে ফেডারেশন? এমন এক প্রশ্নে কোচ লেমোস বলেন, ‘এটা ফেডারেশনের বিষয়।’

খেলোয়াড় কম পাওয়ায় প্রস্তুতিতে সমস্যা হবে না? এই প্রশ্নে কোচের কথা, ‘আমি খেলোয়াড়দের চিনি। কাজেই সমস্যা হবে না আশা করি। তারপর যোগ করেন, ‘শ্রীলঙ্কায় আমি এমন ফুটবল খেলতে চাই, যে ফুটবল খেলে জেতা যায়। আমার লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়া এবং সেটা সম্ভব। ’

জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া কাতারপ্রবাসী নবাগত ফুটবলার ওবায়েদুর রহমানের দিকে চোখ আছে অনেকেরই। চূড়ান্ত দলেও থাকতে পারেন। অবশ্য খেলোয়াড়ের যা সংকট, তাতে ফিট কাউকে বাদ দেওয়ার সুযোগ কম কোচের। প্রথম দিনের অনুশীলন শেষে ওবায়দুর চূড়ান্ত দলেও থাকার আশাবাদ রাখলেন, ‘ফিট ছিলাম না বলে বাংলাদেশ লিগে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে বেশি ম্যাচ খেলতে পারিনি। তবে এখন আমি ফিট আছি। কোচের পছন্দ হলে তিনি আমাকে চূড়ান্ত দলে নেবেন। তবে আমি আশাবাদী মূল দলেও থাকব।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন