বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কোচ হিসেবে এটিই ছিল পিরলোর প্রথম অভিজ্ঞতা। বিবৃতিতে সেটাতেই গুরুত্ব দিয়েছে জুভেন্টাস, ‘কয়েক মাস আগে আন্দ্রেয়া পিরলোর মতো একজন কিংবদন্তি নতুন অভিযান শুরু করেছিলেন। কোচ হিসেবে যা ছিল তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা। এই পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সবার আগে যেটা দরকার, সেটা হলো সাহস। বিশেষ করে এমন একটা সময় উনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন, যখন সবাই বিপর্যস্ত ছিলেন। মহামারির কারণে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন নিয়ম আবিষ্কার করতে হচ্ছে। কোচ হিসেবে মাত্র যাত্রা শুরু হয়েছে তাঁর। কোনো সন্দেহ ছাড়াই তিনি এই ভূমিকায় অনেক সফল হবেন।’

default-image

লিগ না জিতলেও পিরলোর অধীনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ জিতেছে জুভেন্টাস। বিবৃতিতে উঠে এসেছে সেগুলোও, ‘যেহেতু খেলাটা ফুটবল, এখানেই জয়টাই মুখ্য। তাই আসুন, সেগুলো মনে করি। কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি ইতালিয়ান সুপার কাপ ও কোপা ইতালিয়া জিতেছেন। বিশ্বের নামীদামি অনেক মাঠে গিয়ে জিতে এসেছেন, সান সিরো থেকে ক্যাম্প ন্যু— সব জায়গায়।’

পিরলো যে খুব ব্যর্থ ছিলেন, তা বলা যাবে না। তাঁর সময়ে জুভেন্টাস জিতেছে সুপার কোপা ও কোপা ইতালিয়া। কিন্তু ওই যে, লিগ আর চ্যাম্পিয়নস লিগই তো বড় জুভেন্টাসের কাছে। এই দুই জায়গায়ই যদি কোচ ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁর ওপর কীভাবে ভরসা করা যায়!

পিরলোর জায়গায় দলের সাবেক কোচ মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি ফিরছেন, ব্যাপারটা মোটামুটি নিশ্চিত। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত যে কোচ জুভেন্টাসকে জিতিয়েছেন পাঁচটি লিগ শিরোপা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন