বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগের ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে জেতা একাদশটায় আজ অপরিবর্তিত রেখেছিলেন মারিও লেমোস। ফরমেশনটাও সেই ৪-৩-৩। শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল জয়। তাই তারা অলআউট আক্রমণের জন্য বেছে নেয় ৩-৪-৩ ফরমেশন। শুরুতে একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে লঙ্কানরা। প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই তিনটি কর্নার আদায় করে নেয় তারা। ২৫ মিনিটে আদায় করে নেয় গোলও। জার্মান প্রবাসী স্ট্রাইকার ওয়াসিম রাজ্জাকের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। পোস্টের বাইরে থেকে শ্রীলঙ্কান মিডফিল্ডার শট নিলে ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের গোলকিপার আনিসুর রহমান। কিন্তু কাদায় পড়ে আনিস আর নড়তে পারেননি। ফিরতি বলে শটে গোল করেন রাজ্জেক।

গোল করেই রক্ষণাত্মক কৌশলে চলে যায় তারা। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশ ও পেয়ে যায় বলের দখল। ৩২ মিনিটে শ্রীলঙ্কার ডিফেন্ডার ডাকসন পাসলাস গোল লাইনে হাত দিয়ে বল ঠেকালে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ। সঙ্গে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন শ্রীলঙ্কান সেই ডিফেন্ডার। ম্যাচে ফেরার এমন সুযোগও নষ্ট করেছে বাংলাদেশ। স্পটকিক থেকে ক্রসবার উঁচিয়ে বাইরে মারেন তপু বর্মণ।

এরপরেও ১০ জনের লঙ্কানদের চেপে ধরেছিল রাকিব হোসেন, জামাল ভূঁইয়ারা। বিরতিতে যাওয়ার আগে গোলের দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন উইঙ্গার রাকিব। গোলমুখ থেকেও বল পোস্টে রাখতে পারেননি তিনি। জামাল ভূঁইয়ার থ্রু থেকে শ্রীলঙ্কার গোলকিপারকে একা পেয়েও বল গোলে মারার সাহস দেখাতে পারেননি, উল্টো পাস দিতে গিয়ে নষ্ট করেছেন সে সুযোগ।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন জুয়েল রানা, মাহবুবুর রহমান। তাঁদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের আক্রমণে গতি বেড়ে যায়। ৫১ মিনিটে মাহবুবুরের হেড গোল লাইন থেকে ক্লিয়ার করেন লঙ্কান ডিফেন্ডার। ৫৪ মিনিটে সুফিল গোলকিপারকে একা পেয়ে দুরূহ কোন থেকে গোল করতে গিয়ে পোস্টে লাগান। পাস দেওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর। ৭১ মিনিটে বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসলেন জুয়েল রানা। রাকিবের ক্রস থেকে পা ছুঁয়ে গোলটি করেন তিনি।

জয়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় শ্রীলঙ্কা। স্পট কিক থেকে বল জাল জড়াতে কোনো ভুলই করেননি রাজ্জেক। টুর্নামেন্টে এটি তাঁর ষষ্ঠ গোল। ১৯ নভেম্বর ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকার দ্বীপ রাষ্ট্র সেশেলস।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন