বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিগের প্রথম পর্বে আবাহনীকে ৪–১ গোলে হারিয়েছিল বসুন্ধরা। সে ম্যাচে জোড়া গোল করা আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকার রাউল বেসেরা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আজকের ম্যাচে ছিলেন না।

আরেক গোলদাতা ইরানি ডিফেন্ডার খালিদ শাফি খেলতেই পারেননি চোটের কারণে। এ দুজনকে ছাড়া আজ বল দখলের লড়াইয়ে প্রথমার্ধে ছিল সমতা। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে তারা এগিয়ে থাকলেও কম যায়নি আবাহনী। ম্যাচটি জিততে পারত যেকোনো দলই।

default-image

ম্যাচে দুটি গোলই করেছেন বসুন্ধরার অধিনায়ক ও সেন্টারব্যাক তপু বর্মণ। প্রথম আত্মঘাতী ও দ্বিতীয়টি অবশ্যই সমতায় ফেরানোর গোল। ২৮ মিনিটে তপুর আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রাফায়েল আগুস্তোর ক্রস বক্সের মধ্যে থেকে বাঁ পায়ে বিপদমুক্ত করতে গিয়ে জালে জাড়িয়ে দেন তপু।

আত্মঘাতী গোলের পর শাপ মোচনের সুযোগ খুঁজছিলেন এই সেন্টারব্যাক। ৩৭ মিনিটে আসে সে সুযোগ। দল ফ্রি–কিক পেলে ওপরে উঠে যান। রবসনের ফ্রি–কিক থেকে আসা বলে বক্সের মধ্যে লাফিয়ে উঠে হেডে গোলটি করেন তিনি।

বিরতিতে যাওয়ার আগে বসুন্ধরা এগিয়ে যেতে পারত আরেক ডিফেন্ডারের গোলেই। ওভারল্যাপ করে ওপরে উঠে এসেছিলেন রাইটব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষ। এখানেও আছে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রবসনের ছোঁয়া। ২১ গোল করে লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এই মিডফিল্ডারের এরিয়াল থ্রুতে হেড করেছিলেন বিশ্বনাথ। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্তভাবে দলকে বাঁচান গোলরক্ষক শহিদুল আলম।

ম্যাচের শেষ দিকে একইভাবে দলকে বাঁচিয়েছেন বসুন্ধরা গোলরক্ষক আনিসুর রহমানও। রায়হান হাসানের লম্বা থ্রোয়ে বেলফোর্টের হেড ঠেকিয়ে দেন আনিসুর। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত সমতায় শেষ হওয়ায় ২৪ ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরার পয়েন্ট ৬৫। তৃতীয় হওয়া আবাহনীর পয়েন্ট ৪৭।

default-image

আজ ম্যাচ শেষেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা ও রানার্সআপ শেখ জামাল ধানমন্ডির হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছে বাফুফে। ফেয়ার প্লে ট্রফি জিতেছে আবাহনী। একই মঞ্চে খেলোয়াড়দের পুরস্কৃত করেছে বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট কমিউনিটি। সেরা বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবে রবসন, সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় নিহাত জামান উচ্ছ্বাস ও সেরা দেশি খেলোয়াড় হিসেবে আনিসুর রহমানের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছে সংগঠনটি।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন