default-image

আজ জিনেদিন জিদানের ৫০তম জন্মদিন। জন্মদিন উপলক্ষে লে’কিপে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফ্রান্স দলের কোচ হওয়ার ইচ্ছার কথা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন জিদান, ‘অবশ্যই আমি সেটা চাই। আশা করি, একদিন আমি জাতীয় দলের কোচ হব। সেটা কখন হবে? তা তো আর আমার ওপর নির্ভর করে না! তবে ফ্রান্স জাতীয় দলে আমি চক্রটা পূরণ করতে চাই।’

চক্র তো বটেই। ফ্রান্স দলের হয়ে অভিষেকের মুহূর্ত এখনো মনে গেঁথে রেখেছেন। বিশ্বকাপ জিতেছেন, জিতেছেন ইউরো। একবার অবসর নিয়েও দলের প্রয়োজনে ফিরেছেন। বিশ্বকাপ জিতে বিদায় নেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু একমুহূর্তের রাগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার থিয়েরি গিলার্দি যেমন বলেছিলেন, ‘এভাবে নয়...।’ লে’কিপকে জিদান বলেছেন, ‘এ কারণেই আমি বলি ফ্রান্স দলে আমার গল্প এখনো শেষ হয়নি। এভাবে এটা শেষ হোক, আমি চাই না। আমার গল্পটা শেষ হয়নি।’ কোচ হিসেবে ফ্রান্স দলে যোগ দিয়ে এবং দলকে কিছু জিতিয়ে তবেই চক্রটা পূরণ করবেন বলে আশায় আছেন জিদান।

তার মানে কি পিএসজির তাঁকে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। মার্শেইয়ে বড় হয়েছেন। তাঁর ছোটবেলার সব ফুটবল আদর্শ তো মার্শেইয়েরই। এই ক্লাবের সঙ্গে পিএসজির আবার দা-কুমড়া সম্পর্ক। ওদিকে রিয়ালের সঙ্গেও ইদানীং পিএসজির সম্পর্কটা তেতো হয়ে উঠেছে। নিজের সবচেয়ে কাছের দুটি ক্লাবকে দুঃখ দিতে চান না বলেই নাকি কাতারের প্রিন্সের অনুরোধেও রাজি হননি জিদান। একসময় এস্পানিওলের কোচ ছিলেন বলে পচেত্তিনো যেমন বলেছিলেন বার্সেলোনার কোচ হওয়ার চেয়ে আর্জেন্টিনায় গিয়ে খামার দেবেন!

লে’কিপের প্রশ্নের মুখে জিদান অবশ্য এমন কিছু বলেননি। বরং যা বলেছেন তাতে আশাবাদী হয়ে উঠতে পারেন পিএসজি সমর্থকেরা। এখন না হোক, ফ্রান্স দলের চক্র পূরণ করে হলেও জিজু হয়তো তাদের ক্লাবে পা রাখবেন, ‘আপনার কখনোই বলা উচিত না “কখনো না।” বিশেষ করে বর্তমানের একজন কোচের। তবে এই প্রশ্নটাই অবান্তর। যখন খেলোয়াড় ছিলাম, তখন প্রায় যেকোনো দলেই যেতে পারতাম। একজন কোচ হিসেবে, আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব এমন পঞ্চাশটি ক্লাব নেই। বেশি হলে দুই বা তিনটি আছে। এটাই বাস্তবতা। খেলোয়াড়ের চেয়ে কোচ হিসেবে আপনার সুযোগ আরও কম। আমি যদি কোনো ক্লাবে যাই, জিততেই যাব। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলছি। এ কারণেই যেখানে খুশি সেখানে যাচ্ছি না। আর অন্য কারণ বলতে গেলে, হয়তো সব জায়গায় যাওয়া সম্ভবও না।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন