কিন্তু ৫৫ মিনিটে ২-২ গোলে সমতায় ফেরে মার্শেই, পিএসজি সমর্থকদের মনে তখন অপেক্ষার কু ডাক ; এ যাত্রায়ই হবে তো! স্তাদে ভেলোড্রাম ও রেমন্ড কোপা স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজার পর দেখা গেল, ৩৩তম রাউন্ডেই পিএসজির লিগ জয়ের সমীকরণ মেলেনি। নঁতের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় তুলে নেয় মার্শেই। তাতে অঁজের মাঠে ৩-০ গোলে জিতেও লিগ জয়ের উৎসবটা আজই করা হলো না পিএসজির।

default-image

লিগ আঁ-তে পচেত্তিনোর দল ৩৩ ম্যাচে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। সমান ম্যাচে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে মার্শেই। আরও পাঁচটি করে ম্যাচ খেলবে দুই দল। আপাতত ১৫ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে পিএসজি। পচেত্তিনোর দল পরের পাঁচ ম্যাচ যদি হারে, আর মার্শেই নিজেদের পাঁচ ম্যাচ জেতে, দুই দলের পয়েন্ট সমান হবে। তখন হবে গোল ব্যবধানের হিসাব। মার্শেইয়ের (২২) সঙ্গে এখন ২৩ গোল ব্যবধানে এগিয়ে পিএসজি (৪৫)।

অর্থাৎ, মেসি-রামোসকে একসঙ্গে লিগ জয়ের উৎসব করতে দেখার অপেক্ষাটাই শুধু বাড়াতে পারল মার্শেই। তবে চোটের কারণে মেসি ও হলুদ কার্ড নিষেধাজ্ঞায় নেইমারকে আজ মাঠে দেখা যায়নি। যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন পিএসজির এদুয়ার্দ মিশো। অঁজের রোমেইন থমাসকে ট্যাকল করে লাল কার্ড দেখেন ১৯ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।

রেমন্ড কোপা স্টেডিয়ামে বিরতি চলাকালীন প্রথম আলোর পাঠকদের ভোটে এই ম্যাচে ‘মার্শেই পিএসজিকে অপেক্ষায় রাখবে’ মতের পক্ষে ভোটসংখ্যা ছিল মাত্র ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ, আজই প্যারিসের ক্লাবটির শিরোপা জয় নিশ্চিত হওয়া দেখেছেন অনেকে।শেষ পর্যন্ত তাই হতো যদি ৭৫ মিনিটে মার্শেইকে জয়সূচক গোলটি না এনে দিতেন আমিনে হারিত। পেনাল্টি থেকে মার্শেইয়ের বাকি দুটি গোল দিমিত্রি পায়েতের।

default-image

মার্শেইয়ের বিপক্ষে আগের ম্যাচে খেলানো একাদশে সাতটি পরিবর্তন আনেন পিএসজি কোচ পচেত্তিনো। পছন্দের ৪-৩-৩ ছক রেখে তিন সেন্টারব্যাকসহ ৩-৫-২ ছকে দল সাজান আর্জেন্টাইন কোচ। আক্রমণে এমবাপ্পের সঙ্গে মাউরো ইকার্দিকে রাখা হলেও গা গরমের সময় চোট পাওয়ায় আর খেলা হয়নি আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের।

আনহেল দি মারিয়াকে এমবাপ্পের পাশে খেলান পচেত্তিনো। ২৮ মিনিটে ২০ গজ দূর থেকে দারুণ শটে এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দি মারিয়ার ক্রস থেকে হেডে গোল করেন সের্হিও রামোস। এ মৌসুম শেষে স্প্যানিশ ডিফেন্ডারকে ছেড়ে দেওয়ার সবুজ সংকেত দিয়েছে পিএসজি। গোল করে থেকে যাওয়ার ইচ্ছাটা মাঠেও বুঝিয়ে দিয়েছেন রামোস। ক্রমাগত চোটে ক্লাবের আস্থা হারানোর প্রতিদান দিতে মাঠজুড়ে খেলার তাড়না দেখা গেল তাঁর মধ্যে। ৭৭ মিনিটে মারকিনিওসের গোলটিও হেডে করা।

default-image

শনিবার লেঁসের বিপক্ষে হার এড়াতে পারলেই ১০মবারের মতো ফ্রান্সের শীর্ষস্থানীয় লিগ জয় নিশ্চিত করবে পিএসজি। এর আগে রেকর্ড ১০ বার ফরাসি লিগ জয়ের রেকর্ড গড়েছে সেন্ট এঁতিয়েন (১৯৫৭-১৯৮১)।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন