এ নিয়ে দশমবার ফরাসি লিগের চ্যাম্পিয়ন হলো পিএসজি। সবচেয়ে বেশিবার ফ্রান্সের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ডে এখন সেঁত এতিয়েনের সঙ্গে পিএসজিও অংশীদার। পিএসজির এই দশটা ট্রফির আটটাই এসেছে কাতারের ধনকুবের নাসের আল খেলাইফি ক্লাবটি কিনে নেওয়ার পর।

default-image

পিএসজির খেলোয়াড়েরা অবশ্য মাঠে খুব একটা হই-হুল্লোড় করলেন না। ম্যাচ শেষে একে অন্যকে হাসি মুখে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্রেফ। খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি পিএসজির কোচ মরিসিও পচেত্তিনোর মধ্যেও। অথচ কোচিং ক্যারিয়ারে এই প্রথম লিগ শিরোপা জিতলেন আর্জেন্টাইন এই কোচ। গত বছর জানুয়ারিতে পিএসজির দায়িত্ব নিয়ে প্রথম মৌসুমে জিতেছিলেন শুধু ফরাসি কাপ ও ফরাসি সুপার কাপ।

তবে খেলোয়াড়দের মতো সমর্থকেরা উচ্ছ্বাসে লাগাম টেনে ধরেননি কোনো। কোরাস গাইতে গাইতে মাঠ ছেড়েছেন, তারপর প্যারিসের রাস্তা মুখরিত করে তুলেছেন বিজয়-উৎসবে।

ম্যাচটা আসলে জিততে পারত পিএসজি। কিন্তু আগের ৪ ম্যাচে ৭ গোল করা কিলিয়ান এমবাপ্পের ভাগ্যই বোধ হয় এদিন খারাপ ছিল। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেছেন। পিএসজি সমর্থকদের সেই আক্ষেপ ঘুচাতেই যেন ৬৮ মিনিটে নেইমারের পাস থেকে ডি-বক্সের বাইরে বল পেয়ে বাঁ পায়ের দারুণ শটে চোখ জুড়ানো এক গোল করলেন মেসি। লিগ আঁ-তে ২২ ম্যাচে এটি মেসির ৪ নম্বর গোল, এ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩০ ম্যাচে তাঁর গোল ৯টি।

default-image

ওই গোলটাই যখন দুই দলের ব্যবধান হয়ে থাকবে বলে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই ৮৮ মিনিটে জ্যাঁ ফেরালেন সমতা। তাতে অবশ্য পিএসজির শিরোপা-উৎসব পেছায়নি। মন খারাপ করে মাঠ ছাড়তে হয়নি মেসিকেও। বার্সেলোনার হয়ে ১০টি লিগ জেতার পর পিএসজির হয়ে জিতলেন এই প্রথম। ক্লাব ক্যারিয়ারে এটি তাঁর ৩৬তম ট্রফি। ইউরোপের শীর্ষ লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যে তাঁর চেয়ে বেশি ট্রফি জেতার অভিজ্ঞতা নেই অন্য কারও!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন