শ্রীলঙ্কান কোচ পাকির আলির পুলিশের বিপক্ষে ৪-৩-৩ ফরমেশনে দল সাজিয়েছিলেন শেখ রাসেলের কোচ সাইফুল বারী। মাঝমাঠে বখতিয়ার, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও হেমন্ত ভিনসেন্ট জায়গা বদল করে খেলেছেন। আক্রমণভাগের ডান প্রান্তে উগুচুকু ও বাঁ প্রান্তে তকলিস আহমেদ। সবার সামনে রদিগ্রেজ। তাঁদের মধ্যে উগুচুকু বারবার প্রান্ত বদল করে খেলে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। মাঝেমধ্যে মাঝমাঠে নেমে এসে প্রতিপক্ষের পা থেকে বলও কেড়ে নিয়েছেন।

ম্যাচে গোল করার প্রথম সুযোগটি পেয়েছিলেন উগুচুকুই। ২৪ মিনিটে লেফট ব্যাক ইয়ামিন মুন্না ও লেফট উইঙ্গার তকলিসের ওয়ান টু ওয়ানে পুলিশের রক্ষণ খুলে যায়। বক্সের কাছাকাছি গোললাইন থেকে কাট ব্যাক করেছিলেন মুন্না। কিন্তু বক্সের মধ্যে থেকে ভালোভাবে পা লাগাতে পারেননি উগুচুকু। ৮ মিনিট পরেই আবার উগুচুকু হতে পারতেন গোলের উৎস। ডান প্রান্ত থেকে তাঁর ক্রসে আনমার্কড থাকা অবস্থাতেও ভালো হেড নিতে পারেননি তকলিস।

default-image

রাসেল যখন বারবার গোলমুখে গিয়ে ব্যর্থ, পুলিশ চেষ্টা করল প্রতি আক্রমণের। ৪০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে তাদের কিরগিজস্তানের মিডফিল্ডার মুরোলিমজন আখমেদভের শট ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম।
৫০ মিনিটে ম্যাচের মীমাংসা করে দিলেন আশরোরোভ। কিরগিজ-তাজিক রসায়নে হয়েছে গোলটি। কিরগিজস্তানের মিডফিল্ডার বখতিয়ারের ফ্রিকিক থেকে গোলমুখে পা লাগিয়ে জালে জড়িয়ে দেন আশরোরোভ। গোল হজম করে আক্রমণে গতি বাড়াতে পারলেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি পুলিশ। অন্যদিকে গোল ধরে রাখার চেষ্টায় সফল রাসেল।

৩০ ডিসেম্বর ‘এ ’ গ্রুপের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে শেখ রাসেলের প্রতিপক্ষ শেখ জামাল ধানমন্ডি। এর আগে ২৭ ডিসেম্বর পুলিশ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে শেখ জামালের বিপক্ষে। তিন দলের গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল পাবে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন