সর্বশেষ ফেডারেশন কাপের রানার্সআপ রহমতগঞ্জের কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে ৩-৪ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় শেখ রাসেল। আজ অবশ্য সেই হারের প্রতিশোধটা নেওয়া হলো না শেখ রাসেলের।

রহমতগঞ্জের বিপক্ষে আজ স্থানীয় ফুটবলারদের ওপর ভরসা করেন কোচ জুলফিকার মাহমুদ। একাদশে মাত্র একজন বিদেশি আজিজার আকমাতভকে খেলিয়েছেন। কিন্তু হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাস, মান্নাফ রাব্বি, মোহাম্মদ জুয়েলরা কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে পারলেন কোথায়?

বরং রহমতগঞ্জের সঙ্গে কোনোরকম ড্র করে যেন হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছে শেখ রাসেল! দুর্ভাগ্যই বলতে হবে রহমতগঞ্জের। সানডের দুর্দান্ত এক শট ক্রসবারে লেগে ফেরে। এর আগে ফিলিপ আজাহ পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারেননি!

default-image

ম্যাচের ৪ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে ওঠা ওয়ালী ফয়সালের লম্বা ক্রস থেকে গোল করে রহমতগঞ্জকে এগিয়ে নেন সানডে। কিন্তু সেই অগ্রগামিতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি রহমতগঞ্জ।

গোল শোধে মরিয়া শেখ রাসেলকে এরপর সমতায় ফেরান জুয়েল। রহমত মিয়ার লম্বা থ্রো বক্সের মধ্যে এসে পড়লে দুই ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে জুয়েল বল তুলে দেন জালে (১-১)। ১২ মিনিটে অবশ্য আরেকবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় রহমতগঞ্জ।

বল নিয়ে দারুণ গতিতে বক্সে ঢোকেন ফিলিপ আজদাহ। সামনে তখন শুধুই শেখ রাসেলের গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম। উপায় না দেখে আশরাফুল ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন আজদাহকে। পেনাল্টি পেয়ে যায় রহমতগঞ্জ। কিন্তু আজদাহ বলটি বারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন বাইরে!

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক খেলেছে রহমতগঞ্জ। ৫০ মিনিটে সানডের শট ক্রসবারে লাগলে আরেকবার হতাশায় পোড়ে রহমতগঞ্জ! তবে এই ম্যাচে জয়ের নায়ক হতে পারতেন শেখ রাসেলের ফরোয়ার্ড জুয়েলও। কিন্তু ৭৭ মিনিটে জুয়েল নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। বল নিয়ে বক্সে ঢুকেও তড়িঘড়ি করে শট নিতে গিয়ে জুয়েল বাইরে মারেন। বাকি সময়ে অবশ্য চেষ্টা করেও কোনো দল গোল করতে পারেনি।

কুমিল্লা স্টেডিয়ামে অন্য ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন