বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৪-৪-২ ছকে আজ বেশ কয়েকটা পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। জোভান্নি লো সেলসোর জায়গায় মাঠে নেমেছিলেন সেভিয়ার উইঙ্গার পাপু গোমেজ, আর রাইটব্যাক হিসেবে গঞ্জালো মন্তিয়েলের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন উদিনেসের নাহুয়েল মলিনা। ওদিকে সেন্টারব্যাকে নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গে জুটি গড়েছিলেন বেতিসের জার্মান পেৎসাল্লা। গোলবারে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ছিলেন না, তাঁড় জায়গায় মাঠে নামানো হয়েছিল আতালান্তার হুয়ান মুসোকে।

মাঝমাঠে পিএসজির লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন রদ্রিগো দি পল। আরেক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছেন আনহেল দি মারিয়া। স্ট্রাইকার হিসেবে মেসির সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন লাওতারো মার্তিনেজ।

default-image

১৪ মিনিটেই পেলেকে ছুঁয়ে ফেলেন মেসি। পারেদেসের সহায়তায় আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের ৭৭ তম গোলটা পেয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরে দি মারিয়ার সহায়তায় নিজের প্রথম গোল পেয়ে গিয়েছিলেন লাওতারো মার্তিনেজও। কিন্তু অফসাইডের কারণে সে গোল বাতিল হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে ৬২ মিনিটে পাপু গোমেজের জায়গায় ইন্টার মিলানের হোয়াকিন কোরেয়াকে মাঠে নামান কোচ লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনা ফলও পেয়ে যায় হাতেনাতে।

লাওতারো মার্তিনেজ আর কোরেয়ার সঙ্গে দুর্দান্ত কিছু পাসের আদান-প্রদান করে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটা করেন মেসি, ৬৪ মিনিটে। এই গোল দিয়েই পেলেকে টপকে যান তিনি।

ম্যাচের একদম শেষদিকে এসে নিজের তৃতীয় গোল পেয়ে যান মেসি। দূরপাল্লার এক শট আটকে দিয়েছিলেন বলিভিয়ার গোলকিপার, কিন্তু বল নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। সামনে চলে আসা বলে আবারও শট মেরে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন মেসি। মেসি তো ভালো খেলেছেনই, দুর্দান্ত খেলেছেন দি মারিয়াও। দি মারিয়া মাঠ ছেড়ে উঠে যাচ্ছেন, আর সবাই তাঁর নামে স্লোগান দিচ্ছে, এমনটা শেষ কবে দেখা গিয়েছিল? সেটাই হয়েছে আজ।

এই নিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ২৬ গোল হয়ে গেল মেসির। কনমেবল বাছাইপর্বের গ্রুপে আর্জেন্টিনাও রইলো দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে যথারীতি ব্রাজিল। ওদিকে গাস্তোন পেরেইরোর গোলে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে উরুগুয়ে। মিগুয়েল বোর্হার জোড়া গোল আর লুইস দিয়াজের এক গোলে চিলিকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়া।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন