বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সালাউদ্দিন বাফুফে সভাপতি হওয়ার পর বাংলাদেশ টানা চারবার সাফ ফুটবলের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে। আগামী ১ থেকে ১৬ অক্টোবর আরেকটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে প্রতিপক্ষ দলগুলো যখন অনুশীলনে ব্যস্ত, তখন টুর্নামেন্ট শুরুর ১৩ দিন আগে কোচ বদল করেছে বাফুফে। জেমি ডেকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অস্কার ব্রুজোনকে। অবশ্য পুরোনো কোচ জেমিকে বিদায় করা হয়নি। তাঁকে ২ মাসের অব্যাহতি দিয়ে অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বসুন্ধরা কিংসকে টানা দুটি লিগ ও তিনটি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন করা কোচ ব্রুজোনকে। তবে এভাবে কোথাও কোনো কোচ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে কখনো শোনা যায়নি।

এই নিয়ে সালাউদ্দিনের ১৩ বছরের জমানায় ১৯তম কোচ ব্রুজোন। আজ তাঁর সঙ্গে নিজ বাসভবনে আলোচনাতেও বসেছিলেন বাফুফে সভাপতি। হঠাৎ করে কেন জেমিকে সরানো? ব্যাখ্যা দিলেন বাফুফে সভাপতি সালাউদ্দিন, ‘আমি তাকে সময় দিয়েছি। কিন্তু সে পারেনি। প্রতি ম্যাচে সে খেলোয়াড় বদল করে। কোনো স্থিরতা নেই। আজ একে খেলাচ্ছে, কাল ওকে। আর সব সময় তরুণদের দেখে। সেটারও একটা লিমিট আছে। কোচ এক বছর পরীক্ষা করতে পারে, তিন বছর ধরেই পরীক্ষা চলতে পারে না।’

সর্বশেষ কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত তিন জাতি টুর্নামেন্টে দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী খেলোয়াড় দলে নিয়েছিলেন জেমি। একজন কানাডাপ্রবাসী রাহবার ওয়াহেদ ও অন্যজন ফ্রান্সপ্রবাসী তাহমিদ ইসলাম। এ নিয়েও ক্ষোভ আছে কাজী সালাউদ্দিনের, ‘সর্বশেষ বিদেশি দুটি ছেলেকে কেন আনল দলে? ওদের খেলা দেখেছে? না দেখেই কেন আনা? এটা তো মগের মুল্লুক নয় যে কোচ যা ইচ্ছা তা–ই করবে। কোচের কোনো জবাবদিহি নেই।’

default-image

অথচ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ডেনমার্ক থেকে এসেই দলে জায়গা করে নিয়েছেন। আরেক ফিনল্যান্ডপ্রবাসী ডিফেন্ডার তারিক রায়হান কাজী বাংলাদেশের রক্ষণভাগের সবচেয়ে বড় আস্থার নাম।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন