বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি তিনটি ম্যাচের জন্য অনেক পরিশ্রম করেন সাদ। রোদে পুড়ে নিজেকে তৈরি করেন। দুদিন আগে জাতীয় দলের অনুশীলন শেষে বলছিলেন, ‘সব ম্যাচেই গোল করে দলকে জেতাতে চাই। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ভারত ও আফগানিস্তানের সঙ্গে আমাদের জয়ের কথা বলছেন অনেকে। তবে সেটা কঠিনই। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

সাদকে হারানো বাংলাদেশ দলের জন্য বড় ক্ষতিই। আবাহনীতে রাইট ব্যাকে খেললেও জাতীয় দলে সাদকে উইংয়ে ব্যবহার করেন কোচ। এটিকে কোনো সমস্যা মনে করেন না সাদ। বলেছিলেন, কোচ যে দায়িত্ব দেবেন তা পালনে তৈরি তিনি। কিন্তু চোট হতাশায় ডোবাল সাদকে।

default-image

ক্যাম্প ছেড়ে সাদ বলেছেন, ‘চোটের কারণে বাধ্য হয়েই জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়তে হলো। যে চোটটা শুরুতে তেমন সমস্যার মনে হচ্ছিল না। তবে চিকিৎসকেরা এই অবস্থায় আর চালিয়ে না যেতে পরামর্শ দিয়েছেন।বিশ্বকাপ বাছাইয়ে খেলতে মুখিয়ে ছিলাম। কিন্তু ভাগ্য সেটা হতে দিল না। দুঃখিত বন্ধুরা! সবাই দোয়া করবেন, যাতে করে শক্তভাবে ফিরতে পারি।’

সাদকে হারিয়ে বাংলাদেশ ম্যানেজার ম্যানেজার ইকবাল হোসেন আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাদের হাঁটুতে চোট রয়েছে। ডাক্তারের রিপোর্টের ভিত্তিতেই আপাতত ওকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। সাদ ক্যাম্প ছেড়েছে। ও থাকলে ভালো হতো অবশ্যই। সব ঠিক থাকলে সম্ভবত ২৪জন ফুটবলার নিয়ে আগামীকাল আমরা সৌদি আরব যাব।’

তবে পাঁচ বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেও পাসপোর্ট জটিলতায় দলের সঙ্গী হওয়া হচ্ছে না ডিফেন্ডার রেজাউল করিমের। পারফরম্যন্সের বিচারে চূড়ান্ত দলে থাকার কথা থাকলেও পাসপোর্টের মেয়াদ না থাকায় কোচ তাঁকে দলে নিতে পারেননি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন