বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল ম্যাচের ৩৪ মিনিটে বল নিয়ে ব্রাজিল ডি-বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রাফিনিয়া। লিডসের এই ফরোয়ার্ড সেখানে বল হারিয়ে ফেললে বল দখলে নেন সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি ডিফেন্ডার ওতামেন্দি। রাফিনিয়া আবার বলের দখল নিতে ছুটে যান। ডি-বক্সের একটু বাইরে ওতামেন্দি রাফিনিয়ার মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করেন। ইচ্ছাকৃত এমন ফাউলের শাস্তি লাল কার্ড। রেফারি কুনিয়া ঘটনা দেখেননি, এমন দাবি করায় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সহকারী অস্তোহিচের ওপর দায়িত্ব পড়ে।

default-image

বেশ কয়েকটি অ্যাঙ্গেল থেকে ঘটনা দেখলেও ওতামেন্দির আগ্রাসী আচরণ এবং এ কারণে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের যে লাল কার্ড পাওয়া উচিত, সেটা কুনিয়াকে জানাননি অস্তোহিচ। অথচ আঘাতে রাফিনিয়ার মুখ থেকে রক্ত ঝরছিল। ম্যাচের বাকি সময় মুখে ব্যান্ডেজ পরে খেলেছেন এই ফরোয়ার্ড। পরে জানা গেছে, রক্ত বন্ধ করতে রাফিনিয়াকে পাঁচটি সেলাই নিতে হয়েছে।

কনমেবল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উরুগুয়ের দুই রেফারি ‘এ ঘটনা সামলাতে নিজেদের দায়িত্ব পালনে ভয়ংকর ভুল করেছেন।’ আর এ কারণেই এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে, ‘কনমেবল রেফারি কমিটি এ কারণে রেফারি আন্দ্রেস ইসমায়েল কুনিয়া ও এস্তেবান ড্যানিয়েল অস্তোহিচকে কনমেবলের প্রতিযোগিতায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সাময়িক নিষিদ্ধ করছে।’

default-image

এ ঘটনায় রেফারিদের উদ্দেশে আগেই ক্ষোভ ঝেড়েছেন ব্রাজিল কোচ তিতে, ‘ভিএআরে কে বসেছিল? এটা একদম অসম্ভব। আমি আবারও বলছি, রাফিনিয়ার মুখে ওতামেন্দির কনুইয়ের আঘাত দেখা যায়নি, এটা অসম্ভব। এটা (লাল কার্ড হলে) কি ম্যাচের ফল নির্ধারিত করে দিত? আমি জানি না। উচ্চ মানের ভিএআর এভাবে কাজ করতে পারে না। এটা অচিন্তনীয়। আমি এ শব্দ ব্যবহার করতে চাই না। আমি বিনয়ী বলেই এ শব্দ ব্যবহার করছি।’

ম্যাচ চলার সময় এ ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকেরা খেপে উঠেছিলেন এ ঘটনায়। সাবেক আর্সেনাল ও ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভাও ইনস্টাগ্রামে ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন, ‘ভিএআর নির্ঘাত ঘুমাচ্ছিল। আর এ ঘটনা যে লাইনসম্যানের চোখের সামনে হয়েছে, সেটা আর না-ই বলি।’ ওদিকে ওতামেন্দি ইনস্টাগ্রামে কাল দাবি করেছিলেন, ওই সময়ে তাঁর সব মনোযোগ ‘বল’-এ ছিল।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন