বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আকাঙ্ক্ষিত এ ম্যাচের আগে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার অতীত পরিসংখ্যান জানিয়েছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’। মোট ১০৯ ম্যাচের এ পরিসংখ্যানে ৪২ জয়ে ব্রাজিলই এগিয়ে। ৪১ ম্যাচ জিতেছে আর্জেন্টিনা। বাকি ২৫ ম্যাচ ড্র।

কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা প্রথম মুখোমুখি হয়েছিল ১৯৩৭ কোপা আমেরিকায়। ২-০ গোলের জয়ে সে ম্যাচে আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলেও হট্টগোল হয়েছিল অনেক। মাঠে দর্শক ঢুকে পড়ায় ৪০ মিনিটের মতো বন্ধ ছিল খেলা। ৬৭ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে মুখোমুখি হয় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। এবারও কোপা আমেরিকা।

default-image

২০০৪ সংস্করণের সে ফাইনালে নির্ধারিত সময় ২-২ গোলে সমতায় ছিল দুই দল। টাইব্রেকারে হুলিও সিজারের নৈপুণ্যে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে জেতে ব্রাজিল। তিন বছর পর আবারও কোপা আমেরিকা ফাইনালে মুখোমুখি হয় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ভেনেজুয়েলায় অনুষ্ঠিত সে ফাইনালে ৩-০ গোলে আবারও শিরোপা জিতে নেয় ব্রাজিল। মেসি ও হুয়ান রোমার রিকেলেমেকে নিয়েও জয় পায়নি আর্জেন্টিনা।

এর মধ্যে ২০০৫ কনফেডারেশনস কাপ ফাইনালেও ব্রাজিলের বিপক্ষে জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা। ৪-১ গোলে হেরেছিল সে ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত এ বছর কোপা আমেরিকা ফাইনাল জিতে ব্রাজিলের বিপক্ষে ফাইনালে জয়ের খরা কাটায় আর্জেন্টিনা। সেই হারের পর এটাই যেহেতু ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ, তাই ম্যাচটা এক অর্থে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগই তিতের দলের জন্য।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের নজির গড়েছে ‘আলবিসেলিস্তি’রা। ১৯৪০ সালে প্রীতি ম্যাচে ৬-১ ব্যবধানে জিতেছে আর্জেন্টিনা। হ্যাটট্রিক করেছিলেন আর্জেন্টিনার ইতিহাসে অন্যতম সেরা উইঙ্গার হিসেবে খ্যাতি কুড়োনো কার্লোস পেউচেল্লে। তবে ব্রাজিলও আর্জেন্টিনার জালে ৬ গোল করেছে। ওই হারের পাঁচ বছর পর আর্জেন্টিনাকে ৬-২ গোলে হারায় ব্রাজিল। একটি গোল বেশি হজম করায় পাঁচ বছর আগের সে হারের দাগ মুছতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এবার কোপা আমেরিকা ফাইনালে হারের শোক ভুলতে পারবে ব্রাজিল? নেইমার না থাকায় ব্রাজিলের জন্য কাজটা একটু কঠিন। তবে প্রতিপক্ষে যেহেতু আর্জেন্টিনা—লড়াইয়ের প্রেরণা পেতে আর কী লাগে!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন