default-image

লিগ শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পর আজই প্রথম বেনজেমা, ভিনিসিয়ুস, মদরিচকে একসঙ্গে নামিয়েছেন রিয়াল কোচ আনচেলত্তি। তার ফল? ভিনির হ্যাটট্রিক, বেনজেমার নিজের এক গোল আর ভিনিকে গোল বানিয়ে দেওয়ার পথে পায়ের নাচন, আর মদরিচের গোল বানিয়ে দেওয়ার চিরায়ত অভ্যাস। প্রথমার্ধেই তিনটি গোল করিয়েছেন মদরিচ!

আক্রমণেও কী দারুণই না খেলল রিয়াল! দ্রুতগতিতে উঠে যাওয়া, এক স্পর্শের ফুটবলে বল দেওয়া-নেওয়া, ফ্লিক-স্টেপ ওভারে মুগ্ধতা ছড়ানো...। রিয়ালের ছয় গোলে একটির চেয়ে অন্যটি বেশি সুন্দর। লেভান্তে গোলকিপার হাজারো 'সেইভ' না করলে, অফসাইডে গোল বাতিল না হলে রিয়ালের গোলসংখ্যা দুই অঙ্ক ছাড়িয়ে যেত।

ভিনি গোলের দেখা পাওয়ার আগেই অবশ্য রিয়ালের জয় নিঃসংশয়! ১৩ মিনিটে মদরিচের অসাধারণ ভাসানো পাস ধরে রিয়ালকে এগিয়ে দেন মেন্দি, ছয় মিনিট পর ভিনিসিয়ুসের ক্রসে দারুণ হেডে দ্বিতীয় গোলটি বেনজেমার।

default-image

৩০ মিনিটে বেনজেমার দারুণ থ্রু ধরে রদ্রিগো বল জালে পাঠালেও অফসাইডে গোল বাতিল, চার মিনিট পর দুঃখ ভুললেন রদ্রিগো। গোলের আগে পাস কার? মদরিচ!

দলের এমন অবস্থা দেখে তিতিবিরক্ত হয়েই কি না, ৩৯ মিনিটেই দুই খেলোয়াড়কে বদল করেন লেভান্তে কোচ। কিন্তু তাতে লাভ হলে তো! ৪৫তম মিনিটেই আবার গোল রিয়ালের। বক্সের বাইরে মদরিচের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়ার পর বাঁ পায়ের দারুণ শটে ম্যাচে ভিনির প্রথম গোল।


দ্বিতীয়টি ৫৮ মিনিটেই হয়ে গেছে বলে মনে হয়েছিল, কিন্তু ভালভার্দের পাস ধরে ভিনিসিয়ুসের দারুণ চিপে গোল বাতিল হলো অফসাইডে। তবে দশ মিনিট পরই দুঃখ ভুললেন ভিনি! গোলটা বেনজেমার নামে হলেই হয়তো ভালো হতো। দারুণ গতিতে বক্সে ঢোকার পর পায়ের নাচনে যেভাবে লেভান্তে গোলকিপারকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে বাধ্য করেছেন বেনজেমা, সেটি চোখধাঁধানো। গোলকিপারকে পরাস্ত করার পর বলটা বাড়িয়ে দিয়েছেন পোস্টের দুই গজ সামনে ফাঁকায় দাঁড়ানো ভিনিকে।

এরপর অপেক্ষা ছিল শুধু ভিনিসিয়ুসের হ্যাটট্রিকের। সেটিও এসে গেল ৮৩ মিনিটে।

লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ হয়তো ততক্ষণে পয়েন্ট টুকে টুকে নোটখাতাটা ভারী করে ফেলেছেন!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন