বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
ফুটবল বিশ্ব মোটেই সহজ কিছু না, এখানে ছদ্মবেশী লোকের অভাব নেই। এ ঘটনা আমাকে অনেক ছদ্মবেশী চিনতে সাহায্য করেছে, যাদের আমি অন্যরকম ভেবেছিলাম।
লিওনেল মেসি, বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড

ছদ্মবেশী? একটু খোলাসা করে বলা যাক। সহজ কথায় মুখে মধু অন্তরে বিষ। মেসি ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তার মধ্যে এসব ‘ছদ্মবেশী’ লোকদের চিনেছেন তিনি। এ কথা বলেছেন তিনি নিজেই। সংবাদমাধ্যম গোল ডট কমে বার্সায় থেকে যাওয়ার কথা জানানোর মধ্যে এ প্রসঙ্গও টেনেছেন বার্সা তারকা।

মেসি বলেন, ‘কে কেমন তা চিনেছি এর মধ্য দিয়ে। ফুটবল বিশ্ব মোটেই সহজ কিছু না, এখানে ছদ্মবেশী লোকের অভাব নেই। এ ঘটনা আমাকে অনেক ছদ্মবেশী চিনতে সাহায্য করেছে, যাদের আমি অন্যরকম ভেবেছিলাম।’ তাহলে কি বার্সা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর একা হয়ে পড়েছিলেন মেসি? কেউ তাঁর পক্ষে ছিল না? না, বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। পরিবার-বন্ধুরা সব সময়ই মেসির পাশে ছিল, ‘একা লাগেনি। ওরা সব সময়ই আমার পাশে ছিল। এটুকুই যথেষ্ট এবং তাতে আমি আরও শক্তিশালী হয়েছি।’

default-image

স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ও তিন পুত্র থিয়াগো, মাতেও ও চিরোকে নিয়ে বার্সেলোনায় সুখের সংসার মেসির। তিন পুত্র বড় হচ্ছেন বার্সেলোনা শহরে। জন্মের পর এখানকার আলোছায়ায় বড় হয়েছেন। তবু পরিবার নিয়ে ভিন্ন শহরে পাড়ি জমানোর কঠিন সিদ্ধান্তটাই নিতে চেয়েছিলেন মেসি। তাঁর পরিবার কিন্তু বিষয়টি এত সহজে মেনে নিতে পারেনি। মেসির বড় ছেলে থিয়াগো টিভিতে দেখে বুঝতে পেরেছিলেন বাবার ক্লাব ছাড়ার কথা।

বাবার ক্লাব ছাড়া মানেই থিয়াগোর নতুন করে স্কুলে ভর্তি হওয়া, নতুন বন্ধু তৈরি করা। প্রিয় শহর বার্সেলোনা যেমন মেসির সব, মেসির পরিবারের জন্য ঠিক তা-ই। মেসি বলেছেন, ‘আমার বার্সেলোনা ছাড়ার ইচ্ছে স্ত্রী ও বাচ্চাদের জানানোর ঘটনাটি ছিল ভয়ংকর এক নাটকের মতো। পুরো পরিবার কান্না শুরু করে। আমার বাচ্চারা বার্সেলোনা ছাড়তে চাইছিল না। ওরা স্কুলও বদলাতে চাইছিল না।’ তবে মেসির জীবনের কঠিন এ সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী রোকুজ্জো, ‘এমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন ছিল, খুবই কঠিন। আমি বুঝতে পারছিলাম। আমার সঙ্গেও তাই হচ্ছিল। আমার জন্য সিদ্ধান্তটা নেওয়া কঠিন ছিল। আমার স্ত্রী, তাঁর মনে অনেক কষ্ট নিয়েও সে আমাকে সমর্থন দিয়েছে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন