বিজ্ঞাপন
default-image

মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জয়ের অনুভূতিটা ইনস্টাগ্রামেও জানিয়েছেন মেসি, ‘এই সাফল্য আমি পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই। তারা সব সময় আমাকে শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। বন্ধুদেরও উৎসর্গ করছি, যাদের আমি ভালোবাসি এবং সমর্থন দেওয়া সবাইকে বিশেষ করে ৪৫ মিলিয়ন আর্জেন্টাইন—মহামারিতে যাঁরা খুব বাজে সময় পার করছেন। এই সাফল্য আপনাদের সবার।’ এরপরই প্রয়াত আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ম্যারাডোনার প্রসঙ্গ টেনে মেসি লিখেছেন, ‘...আর অবশ্যই ডিয়েগোকে, সে যেখানেই থাকুক না কেন, নিশ্চিতভাবেই আস্থা রেখেছে, সমর্থন দিয়েছে।’

default-image

উচ্ছ্বাসটুকু প্রকাশ করে বাস্তবতায় পা রেখেছেন মেসি। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে এই সাফল্যের সুখকে শক্তিতে পরিণত করতে চান তিনি, ‘উৎসব উদ্‌যাপনের মধ্যেই নিজেদের খেয়াল রাখতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না সবকিছু স্বাভাবিক হতে এখনো সময় লাগবে। এই আনন্দকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে আমাদের ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’ এরপর মেসি সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করেছেন তাঁর বক্তব্য, ‘যা যা অর্জন করতে পেরেছি, সবকিছুর জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধনব্যাদ।

আমাকে আর্জেন্টাইন বানানোর জন্য ধন্যবাদ। দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন!’
মেসি তাঁর এই পোস্টের শুরুটা করেছিলেন দলীয় সতীর্থদের ধন্যবাদ জানিয়ে, ‘অবিশ্বাস্য এক টুর্নামেন্ট। আমরা জানি, আরও অনেক জায়গায় উন্নতি করতে হবে। কিন্তু সত্যটা হলো ছেলেরা হৃদয় নিংড়ে খেলেছে এবং এই দলের অধিনায়কত্ব করতে পেরে আমি ভাগ্যবান, এর চেয়ে বেশি গর্বিত হতে পারতাম না।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন