বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুধু নিজেরা না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েই ক্ষান্ত থাকছে না পোল্যান্ড, প্লে-অফে একই পথে পড়া অন্য দুই দেশ চেক প্রজাতন্ত্র ও সুইডেনকেও রাশিয়ার বিপক্ষে খেলতে অস্বীকৃতি জানাতে আহ্বান জানিয়েছে।

কাতার বিশ্বকাপের ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বের গ্রুপ পর্বে দশটি গ্রুপ থেকে দশটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। প্লে-অফ থেকে আরও তিনটি দল যাবে। তবে প্লে-অফের প্রক্রিয়াটা এবার ভিন্ন।

গ্রুপ পর্বে গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়া ১০টি দলের সঙ্গে প্লে-অফে জায়গা পেয়েছে নেশনস লিগে নিজেদের গ্রুপে জয়ী (যারা বাছাইপর্বের গ্রুপ পর্বে নিজেদের গ্রুপে এক-দুইয়ে ছিল না) দুই দল। এই ১২টি দলকে তিনটি ‘পথ’-এ ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি পথে চার দল, দুটি সেমিফাইনালে বিজয়ী দল ফাইনালে খেলবে। এরপর প্রতিটি পথ থেকে চ্যাম্পিয়ন দল যাবে বিশ্বকাপে।

default-image

রাশিয়া, পোল্যান্ড, সুইডেন ও চেক প্রজাতন্ত্র পড়েছে ‘পথ-বি’তে। ২৪ মার্চ মস্কোতে এক সেমিফাইনালে রাশিয়া আর পোল্যান্ড মুখোমুখি, সলনায় অন্য সেমিফাইনালে খেলবে সুইডেন ও চেক প্রজাতন্ত্র। দুই সেমিফাইনালে জয়ী দল খেলবে ফাইনালে।

অর্থাৎ রাশিয়া ফাইনালে উঠলে সুইডেন বা চেক প্রজাতন্ত্রকে রুশদেরই মুখোমুখি হতে হবে। আর রাশিয়া ফাইনালে উঠলে ফাইনালটা মস্কোতেই হবে, রাশিয়া না উঠলে পোল্যান্ডের সরজোতে।

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের জবাবে এই ‘পথ’-এর বাকি তিন দলই রাশিয়ার মাটিতে গিয়ে খেলতে রাজি নয় বলে গতকাল খবর এসেছিল। কিন্তু পোল্যান্ড এখন বলছে, রাশিয়ার মাটিতে তো নয়ই, রাশিয়ার বিপক্ষেই খেলতে তারা রাজি নয়।

একই সিদ্ধান্ত নিতে সুইডেন আর চেক প্রজাতন্ত্রকেও আহ্বান জানাচ্ছে তারা, যাতে ফিফার দরবারে এক হয়ে তিন দেশই আবেদন করতে পারে।

default-image

পোল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি চেজারি কুলেসা আজ পোল্যান্ডের সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন টুইটারে, ‘ইউক্রেনের বিপক্ষে রাশিয়ান ফেডারেশনের আগ্রাসনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে পোল্যান্ড জাতীয় দল রাশিয়ান প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচটা খেলবে না। এটাই একমাত্র সঠিক সিদ্ধান্ত।’

অন্য দুই দেশের সঙ্গে কথা বলার ব্যাপারও নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘সুইডিশ ও চেক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আমরা কথা বলছি, যাতে সবাই এক হয়ে একই দাবি নিয়ে ফিফার কাছে যেতে পারি। এখন কথা নয়, কাজের সময়!’

কুলেসার টুইটটি রি-টুইট করে পোল্যান্ড অধিনায়ক ও বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডফস্কি লিখেছেন, ‘এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। ইউক্রেনের ওপর সশস্ত্র আগ্রাসন যখন চলছে, সে সময়ে রাশিয়ান জাতীয় দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলার কথা ভাবতে পারি না আমি। রাশিয়ার ফুটবলার ও ফুটবলভক্তরা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী নন, তবে আমরা তো এমন ভাব ধরে থাকতে পারি না যেন কিছুই হচ্ছে না!’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন