বিজ্ঞাপন

উয়েফার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তথাকথিত সুপার লিগ নিয়ে উয়েফার নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা কর্মকর্তারা তদন্ত শেষ করেছেন। উয়েফার আইনি কাঠামোর সম্ভাব্য লঙ্ঘনের বিষয়টি মাথায় রেখে রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও বার্সেলোনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে।’

প্রাথমিক তদন্ত করতে ১২ মে নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা কর্মকর্তাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছিল উয়েফা। সুপার লিগ চালুর ভাবনায় শুরুতে জোট বেঁধেছিল মোট ১২টি ক্লাব। এর মধ্যে ৯টি ক্লাব আগেই এ জোট থেকে বেরিয়ে এসেছে। উয়েফার কাছে জরিমানা গুনে আইনি ঝামেলা এড়িয়েছে ক্লাবগুলো।

চ্যাম্পিয়নস লিগের মতোই নিজেদের মধ্যে সুপার লিগ আয়োজন করতে চেয়েছিল ইউরোপের ডাকসাইটে ১২টি ক্লাব। এতে চ্যাম্পিয়নস লিগ আবেদন হারাত এবং সুপার লিগের নিয়ম নিয়েও প্রচুর বিতর্ক হয়েছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি ক্লাবগুলোর এ ভাবনাকে চ্যালেঞ্জ করে উয়েফা।

এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে উয়েফার হুমকি-ধমকিতে সুপার লিগের ভাবনা থেকে সরে আসে ৯টি ক্লাব। বাকি তিন ক্লাব অনড় থাকায় তখনই উয়েফা শাসিয়েছিল, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা হয়নি।

তবে এএফপি জানিয়েছে, আইনের মধ্যে থেকে ক্লাবগুলোকে ‘বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা থেকে’ বাদ দিতে পারবে তারা। এ ছাড়া ক্লাব পরিচালকদের ক্ষেত্রে ‘ফুটবল–সম্পর্কিত সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ’ করতেও পারে উয়েফা।

গত ১৮-১৯ এপ্রিল ক্লাবগুলো সুপার লিগের ঘোষণা দেওয়ার পর উয়েফার অস্তিত্ব নিয়েই টানাটানি পড়ে গিয়েছিল। ক্লাব ফুটবলে চ্যাম্পিয়নস লিগ উয়েফার সবচেয়ে মর্যাদার টুর্নামেন্ট। আরও বেশি আয়ের লক্ষ্যে সুপার লিগ চালু করতে চেয়েছিল ক্লাবগুলো। এতে উয়েফাকে নড়েচড়ে বসতেই হয়।

সুপার লিগের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাবগুলোর কখনো প্রতিযোগিতা থেকে অবনমন ঘটবে না, এই নিয়ম নিয়ে প্রশ্নও তোলা হয়। বলা হয়, টাকার লোভে পড়েই এমন পরিকল্পনা ফেঁদেছে ক্লাবগুলো এবং অপেক্ষাকৃত ছোট ক্লাবগুলোকে এ ক্ষেত্রে খাটো চোখে দেখা হচ্ছে।

এসব বিষয় নিয়ে মহাবিতর্ক শুরুর পর চলতি মাসের শুরুর দিকে ৯টি ক্লাব সম্মিলিতভাবে ১৫ মিলিয়ন ইউরো দেওয়ার পাশাপাশি উয়েফাকে ইউরোপিয়ান মৌসুমের রাজস্ব থেকে ৫ শতাংশ অর্থ দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়ে সুপার লিগ থেকে সরে আসে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন