default-image

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এই ৩৫ বছর বয়সেও মাঠে দুর্দান্ত। প্রেমিক রোনালদোর তুলনাও খুঁজে পাওয়া কঠিন। জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে তাঁর সুখের সংসার।

কিন্তু এই সুখের সংসারে রোনালদো কতটা দক্ষ? মানে সাংসারিক কাজে রোনালদো কি মাঠের মতোই দক্ষ ফরোয়ার্ড, যিনি কি না সহজেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেন।

সাংসারিক কাজে জুভেন্টাস তারকার দক্ষতা নিয়ে কথা বলেছেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা জর্জিনা। ইতালিয়ান সংবাদমাধ্যম গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্তকে ঘরের রোনালদোর ব্যাপারে বলেছেন জর্জিনা।

এ আলাপে ঘরে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের অনেক কিছুই বেরিয়ে এসেছে। জর্জিনার চোখে বাবা হিসেবে রোনালদো অসাধারণ, সহজ কথায় একজন অসাধারণ পিতা। আর প্রেমিক হিসেবে? ‘এর চেয়ে ভালো কোনো সঙ্গীর কথা ভাবতে পারি না,’ বলেন স্প্যানিশ মডেল জর্জিনা।

বিজ্ঞাপন

তবে রোনালদো রসুইঘরের ধারেকাছেও ঘেঁষেন না। জর্জিনাই সম্ভবত তাঁকে ঘেঁষতে দেন না। এ নিয়ে তাঁর যুক্তি, ‘সারা দিন ব্যস্ততার পর ভালো খাবারটা তাঁর প্রাপ্য, যেটা ভালোবাসা ও যত্ন নিয়ে বানানো। আমাদের বাবুর্চি আছে কিন্তু মাঝেমধ্যে আমিও রান্না করি।’

তবে রোনালদো একটি কাজে ভীষণ অপটু। জর্জিনা নিজেই সে কথা জানিয়েছেন। ঘরের বাতি পাল্টাতে পারেন না ইউরোপজুড়ে বড় বড় ক্লাবে আলো জ্বেলে রাখা রোনালদো।

default-image

ইতালির তুরিনে পর্তুগিজ তারকার বাড়িটা বিলাসবহুল। স্বাভাবিকভাবেই ঘরের সিলিং অনেক উঁচু। জর্জিনা কোনোভাবেই চান না, রোনালদো ঘরের বাতি পাল্টাতে গিয়ে কোনো চোট পান।

এমনকি মই বেয়েও রোনালদোকে উঠতে দেন না তিনি, ‘আমার বাসার সিলিং অনেক উঁচু। তাই কাজটা (বাতি পাল্টানো) প্রায় অসম্ভব। আপনি যদি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো হতেন, তাহলে কি মেঝে থেকে ছয় মিটার উঁচু সিলিংয়ের বাতি পাল্টাতেন? অবশ্যই না। এগুলো আমিই দেখাশোনা করি। ঘরের কাজ করতে ভালোই লাগে। আসলে যে যেটায় ভালো, সেখানেই মনোযোগ দেওয়া উচিত। বাকিটা আমি দেখব।’

২০১৬ সালে রোনালদোর সঙ্গে দেখা হওয়ার সময় দোকানে সহকারীর কাজ করতেন জর্জিনা। সপ্তাহে বেতন পেতেন ২৫০ পাউন্ড। সেখান থেকে রোনালদোর জীবনে আসার পর জর্জিনার নিজের জীবনও পাল্টে গেছে।

তুরিনে দুজনের বাসায় একটি জিম, যেটা তাঁরা দুজন ব্যবহার করেন, ‘আমরা জিমটা ভাগাভাগি করি। কারণ, বাসায় একটাই মাত্র জিম। তার কাছ থেকে অনেক শিখেছি, সে আমার প্রেরণা।’

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন