বিজ্ঞাপন
default-image

জুভেন্টাসের ম্যাচে অবশ্য জয়-পরাজয়ের চেয়েও বড় খবর হয়ে দাঁড়ায় রোনালদোর একাদশে না থাকা। পরে তো পুরো ম্যাচে নামাই হলো না ৩৬ বছর বয়সী পর্তুগিজ যুবরাজের! মৌসুমে ক্লাবের সবচেয়ে বড় ম্যাচে, অথচ এই ম্যাচেই কি না রোনালদোর মাঠে নামা হলো না! বিখ্যাত ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানোর টুইট, রোনালদোকে না নামানোর কারণটি পুরোপুরিই ‘কৌশলগত।’ পর্তুগিজ যুবরাজের কোনো চোট ছিল না।

রোনালদো না খেললেও জুভের গোল পেতে তেমন ঘাম ঝরাতে হলো না। বিরতিতেই দলটা এগিয়ে ছিল ৩-০ গোলে, ৪৭ মিনিটে এল চতুর্থ গোল। চোখধাঁধানো ফর্মে থাকা ফেদেরিকো কিয়েসার গোলে ৬ মিনিটে গোল-উৎসব শুরু, ২৯ ও ৪৭ মিনিটে দুই গোল করলেন আলভারো মোরাতা। মাঝে ৪৫ মিনিটে দলের তৃতীয় গোল আদ্রিয়েন রাবিওর।

জুভের চতুর্থ গোলটির সময়ও অবশ্য তাদের চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত ছিল না। আরও অনিশ্চিত হয়ে যায় ওদিকে নাপোলির মাঠে ৬০ মিনিটে নাপোলির আমির রাহমানি গোল করলে। ভেরোনার বিপক্ষে এগিয়ে থাকা নাপোলি তখন পয়েন্ট তালিকার সেরা চারে, জুভেন্টাস পাঁচে!

default-image

কিন্তু ৬৯ মিনিটে ভেরোনার দাভিদে ফারাওনি গোল করে জুভেন্টাসে প্রাণ ফেরান। শেষ পর্যন্ত ম্যাচে সমতাসূচক ওই গোলই লিগে দুই দলের মধ্যে হয়ে থাকে ব্যবধানসূচক।

আতালান্তার মাঠে মিলানের দুটি গোলই পেনাল্টি থেকে, দুটিই ফ্রাঙ্ক কেসির। প্রথমটি ৪৩ মিনিটে, দ্বিতীয়টি ম্যাচ শেষের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন