বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত দলবদলের মৌসুমে শেষ দিনে জুভেন্টাস থেকে রোনালদোকে ২ কোটি পাউন্ডে কেনে ইউনাইটেড। দীর্ঘ এক যুগ পর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটিতে ফিরে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে দ্বিতীয় মেয়াদে অভিষেকেই জোড়া গোল করেন রোনালদো।

গ্যালারিতে উন্মাতাল দর্শকদের মাঝে ফার্গিও ছিলেন। স্কটিশ এই কিংবদন্তি ইউনাইটেডের কোচ থাকতে ২০০৩ সালে রোনালদোকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নিয়ে আসেন তিনি। ছয় বছর সেখানে থেকে নিজেকে বিশ্বমানের ফুটবলারে পরিণত করেন পর্তুগিজ তারকা। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাস ঘুরে রোনালদো আবারও ফিরেছেন ইউনাইটেডে।

default-image

১৯৮৬ থেকে ২০১৩—এই দীর্ঘ সময় ইউনাইটেড কোচ হিসেবে ১৩ বার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জেতার পাশাপাশি দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন ফার্গুসন। ক্লাবের অফিশিয়াল পডকাস্টকে রোনালদোর ফেরা নিয়ে তিনি বলেন, ‘অসাধারণ। দেখে মনে হয়েছে সিজার যেন রোমে ফিরলেন! এলেন, দেখলেন, জয় করলেন। অসাধারণ।’

ফার্গুসন এরপর ব্যাখ্যা করলেন, ‘ব্যাপারটা এমন ছিল যে আমরা মিলিয়ন দর্শকও পেতে পারতাম। (ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের) বাইরেও হাজার হাজার দর্শক ছিল। সে বিশ্বসেরা হতে অনেক কিছু ত্যাগ করেছে। মনে আছে, আমাদের আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল। সেদিন ক্যারিংটনে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। দলীয় অনুশীলনের পর ওর (রোনালদোর) সব সময় আরেকটু অনুশীলনের অভ্যাস। সেদিন ওকে বললাম, চলে এস। কাল আমাদের ম্যাচ আছে। মাঠে পানি বেশি, অনুশীলনের উপযুক্ত নয়। এরপর আমি অফিসে ঢুকলাম। জানালা দিয়ে চোখে পড়ল সে অ্যাস্ট্রোটার্ফে (কৃত্রিম ঘাসের মাঠ) অনুশীলন করছে। আমার কিছু বলার ছিল না। ওখানেই হেরে যাই।’

২০০৯ সালে রোনালদোর ইউনাইটেড ছেড়ে যাওয়া নিয়েও কথা বলেন ফার্গুসন, ‘রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়াটা ছিল তার স্বপ্ন। আমি এর বিপক্ষে ছিলাম না। দেখুন, মাদেইরা থেকে একটা ছেলে এসে ছয় বছর এখানে থাকল, আমরাও ওর বিকল্প বের করার সময় পেয়েছি। আন্তনিও ভ্যালেন্সিয়াকে পেয়ে গেলাম আমরা।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন