বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আজকের রোনালদো তাঁর হাতেই গড়া। কদিন আগেই আবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরে এসেছেন রোনালদো, আবার গোল করছেন দলের হয়ে। প্রিয় ছাত্রের হয়ে ঢোল পেটাবেন ফার্গুসন—এটাই স্বাভাবিক। কদিন আগেই ইউনাইটেডের কিংবদন্তি কোচ বলেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানোরই প্রাপ্য এটা। এই বছর সে রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙেছে।’

ফার্গুসনের যুক্তি ভুল নয়। এই সপ্তাহেই ক্যারিয়ারের ৫৮তম হ্যাটট্রিক করেছেন রোনালদো। লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে তাঁর হ্যাটট্রিকটি ছিল পর্তুগালের জার্সিতে তাঁর দশম হ্যাটট্রিক। অন্য কোনো ফুটবলার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হ্যাটট্রিকে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। ২০১৩ সালে ব্যালন ডি’অরের ভোটাভুটির আগমুহূর্তে সুইডেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে মহাগুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে ভোটাভুটিতে মেসি ও ফ্র্যাঙ্ক রিবেরিকে টপকে গিয়েছিলেন রোনালদো।

default-image

২৯ নভেম্বর দেওয়া হবে এ বছরের ব্যালন ডি’অর। তাই রোনালদোর এমন রেকর্ড গড়া ভোটারদের মনে নতুন করে প্রভাব ফেলতেই পারে। ফার্গুসন হয়তো সে আশাতেই আছেন। রোনালদো নিজেও প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিচ্ছেন। লুক্সেমবার্গের ম্যাচের পর বলেছেন, ‘আমি প্রতিজ্ঞা করেছি আমি সব সময় আরও কিছু চাইব। এটা আমার মধ্যে আছে, এটাই আমার ডিএনএ। আমাদের কখনোই তৃপ্ত থাকা ঠিক না, কখনো গা ছাড়া দেওয়া যাবে না এবং সব সময় আরও ওপরে উঠতে চাই।’

default-image

আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখন সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো। পেশাদার ফুটবলেই সর্বোচ্চ গোল এখন রোনালদোর। দুটি রেকর্ডই এ বছর ভেঙেছেন। সেই সঙ্গে ইউরোর সর্বোচ্চ গোলদাতাও এই বছরই হয়েছেন পর্তুগিজ তারকা। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তাঁর। ফলে ফার্গুসন যখন বলেন, রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছেন রোনালদো, ভুল বলেননি। তবে এসব রেকর্ডই ক্যারিয়ারজুড়ে অর্জনের রেকর্ড।

ব্যালন ডি’অর হলো একটি নির্দিষ্ট বছরে সাফল্যের হিসাব। আর এবার সেদিক থেকে রোনালদোর খাতায় শুধু ইতালিয়ান কাপ। সে সঙ্গে সিরি ‘আ’ ও ইউরোর সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার। এ দিয়েই মেসি, লেভানডফস্কি, জর্জিনিও বা বেনজেমাকে টেক্কা দিতে পারবেন রোনালদো?

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন