বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তবে রোনালদোর রেকর্ডের এই রাতে হাসিমুখে মাঠ ছাড়তে পারেনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। উলটো ২-১ গোলে হেরে বসেছে তাঁরা। ম্যাচের ১৩ মিনিটে স্বদেশি ব্রুনো ফার্নান্দেসের সহায়তায় ইউনাইটেডের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ পুনরাভিষেকে রোনালদো গোল পেলেও ৬৬ মিনিটে গোল শোধ করে দেন ইয়ং বয়েজের ক্যামেরুনিয়ান উইঙ্গার নিকোলাস এনগামালেউ। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে এসে গোল করে পাশার দান পালটে দেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার জর্ডান সিবাতচু। ফলে, এক পয়েন্টও জোটেনি রোনালদোদের কপালে।

তবে ম্যাচ হারের পেছনে নিজেকে দোষ দিতেই পারেন ইউনাইটেডের ইংলিশ রাইটব্যাক অ্যারন ওয়ান-বিসাকা। ৩৫ মিনিটে তিনি লাল কার্ড দেখে মাঠ না ছাড়লে হয়তো প্রায় এক যুগ পর ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলতে নেমে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তেন রোনালদো! সেটা আর হলো কোথায়!

নিজেকে দোষ দিতে পারেন ইংলিশ মিডফিল্ডার জেসি লিনগার্ডও। ম্যাচের ৭২ মিনিটে রোনালদোর জায়গায় এই লিনগার্ডকেই মাঠে নামান হয়েছিল। ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে লিনগার্ডের এক ভুল ব্যাকপাসের সুযোগ নিয়েই তো জয়সূচক গোলটা করে বসেন সিবাতচু! কী কুক্ষণে রোনালদোকে উঠিয়ে লিনগার্ডকে নামিয়েছেন, এই কষ্টে আজ ইউনাইটেড কোচ ওলে গুনার সুলশারের ঘুম হবে কি না, কে জানে!

গোটা ম্যাচে ইয়ং বয়েজের গোলপোস্ট বরাবর দুটি শট মেরেছে ইউনাইটেড। দুটিই রোনালদোর কল্যাণে। ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর থেকে এত কম শট ইউনাইটেড কখনো কোনো চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে মারেনি। বলা যেতেই পারে, রোনালদো একা কী করবেন!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন