বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিভারপুলের বিপক্ষে এর আগের তিন ম্যাচেও হারেনি ম্যান সিটি। দুটি ম্যাচে তো বড় জয়ই পেয়েছিল (৪-০ ও ৪-১), একটা ড্র করেছিল ১-১ গোলে। আজ আরও একবার ড্রয়ের মানে লিভারপুলের সঙ্গে সর্বশেষ ৪ ম্যাচেই অপরাজিত পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি।

default-image

শুরুটা মন্দ হয়নি ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুলের। তবে প্রথমার্ধে যতই সময় গড়িয়েছে, ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। মো সালাহ, দিয়েগো জোতা ও সাদিও মানেদের খুব বেশি নড়াচড়ার সুযোগ দেয়নি ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা। অ্যানফিল্ডে অতিথি সিটি যথারীতি বলের দখল রেখে খেলেছে। প্রথমার্ধে সবচেয়ে ভালো সুযোগটা সিটির ফিল ফোডেনই পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে হতাশ করেছেন লিভারপুল গোলরক্ষক আলিসন।

default-image

তবে বিরতির পর ধার বাড়ে লিভারপুলের। শুরু থেকেই সিটিকে কিছুটা চাপে রাখে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ফলও পেয়ে যায় তাতে। ৫৯ মিনিটে সালাহর দুর্দান্ত পাস থেকে লিভারপুলকে এগিয়ে সাদিও মানে। জবাব দিতে সিটির সময় নেয় মিনিট দশেকের মতো। গ্যাব্রিয়েল জেসুসের পাস থেকে সমতা ফেরান ফিল ফোডেন। ২১ বছর ১২৮ দিন বয়সে গোল করে একটা কীর্তিও গড়েছেন সিটির এই মিডফিল্ডার। ২০১৩ সালের পর লিভারপুলের বিপক্ষে তাঁর চেয়ে কম বয়সে টানা তিন ম্যাচে আর কেউ গোল করতে পারেননি। ২০১৩ সালে রোমেলু লুকাকু এই কীর্তি গড়েছিলেন ২০ বছর ১৯৪ দিন বয়সে।

default-image

অ্যানফিল্ডে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধটা যেন রোমাঞ্চের পসরা সাজিয়ে বসেছিল। ৬৬ মিনিটে সিটির ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে অসাধারণ এক গোলে লিভারপুলকে আবার এগিয়ে দেন মো সালাহ। লিভারপুলের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বশেষ ৭ ম্যাচেই গোল পেলেন মিসরীয় এই ফরোয়ার্ড।
তবে হাল ছেড়ে দেয়নি সিটিও। ৮১ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার গোলে আরও একবার ম্যাচে সমতা ফেরায় ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত এ ড্রয়ের পর প্রিমিয়ার লিগে ৭টি করে ম্যাচ শেষে লিভারপুলের পয়েন্ট ১৫, সিটির ১৪। লিগে ক্লপের দলের অবস্থান দুই নম্বরে, তিনে সিটি। সমান ৭ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে টমাস টুখেলের চেলসি।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন