বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল গ্রানাদা। ক্যাম্প ন্যুর দর্শকেরা ঠিকঠাক বেঞ্চে বসতে পেরেছেন কি পারেননি, এর মধ্যেই ২ মিনিটে অতিথিদের এগিয়ে দেন পর্তুগিজ ডিফেন্ডার দমিঙ্গোস দুয়ার্তে। সেভিয়ার সাবেক লেফটব্যাক সের্হিও এসকুদেরোর ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে সহজেই দলকে এগিয়ে দেন দুয়ার্তে।

ক্যাম্প ন্যুতে গত মৌসুমেই জিতে গিয়েছিল গ্রানাদা। দুয়ার্তের গোলের পর গ্রানাদা-সমর্থকদের মনে নিশ্চিতভাবেই সেই স্মৃতি দোলা দিয়ে গেছে!

১২ মিনিটে গ্রানাদার ফরোয়ার্ড হোর্হে মলিনা একটি সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ততক্ষণে ক্যাম্প ন্যু চুপচাপ, বুসকেতস-ডি ইয়ং-ডিপাইদের খেলা দেখে কাতালান দর্শকেরা হয়তো বুঝে গিয়েছিলেন, আজ রাতটা লম্বা হতে চলেছে বেশ!

তবে স্তব্ধ কাতালান দর্শকদের মনে উন্মাদনা সঞ্চার করতে বেশি সময় নেননি সের্হি রবের্তো। পেদ্রির অনুপস্থিতিতে আজ মিডফিল্ডেই খেলেছেন সাধারণত রাইটব্যাকে খেলে থাকা বার্সার চার অধিনায়কের একজন। ১৮ মিনিটে প্রায় গোল করেই ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু পোস্টে লেগে সে যাত্রায় সমতা ফেরাতে পারেনি বার্সেলোনা।

বার্সেলোনার খেলার মধ্যে বৈচিত্র্যময় একটা জিনিস দেখা যাচ্ছে আজকাল, সেটা হলো বেশ ক্রসনির্ভর খেলা শুরু করেছে দলটা, যে ধরনের ফুটবল বার্সেলোনা সাধারণত খেলে না। এ ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম ছিল না। তবে বার্সেলোনার ক্রসনির্ভর ফুটবল ভীতি জাগাতে পারেনি গ্রানাদার রক্ষণে।

বায়ার্নের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে শেষ কিছু সময়ে মাঠে নেমে আলো ছড়িয়েছিলেন তরুণ লেফটব্যাক আলেহান্দ্রো বালদে, যার পুরস্কাস্বরূপ আজ মূল একাদশে নামানো হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু চোটের কারণে ৪১ মিনিটেই মাঠ থেকে উঠে যেতে হয় তাঁকে। তাঁর জায়গায় মাঠে নামানো হয় অস্কার মিঙ্গেসাকে।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে নিজেদের একাডেমি লা মাসিয়ার খেলোয়াড় মনচুর কাছে আরেকটু হলে গোল খেতে বসেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু টের স্টেগেনের কল্যাণে সে যাত্রায় রক্ষা পায় কাতালানরা।

তবে বার্সেলোনাও যে একদম সুযোগ পাচ্ছিল না, তা নয়। এর ঠিক পরপরই রোনালদ আরাউহো গোল করার দুটি সুযোগ পান। একটি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন গ্রানাদার গোলকিপার লুইস মাক্সিমিলিয়ানো, আরেকটি শট পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।

default-image

ক্রসনির্ভর ফুটবল খেলতে যাতে সুবিধা হয়, সে জন্যই কি না, দ্বিতীয়ার্ধে সের্হি রবের্তোর জায়গায় মাঠে নামানো হয় ডাচ্‌ স্ট্রাইকার লুক ডি ইয়ংকে। ওদিকে মেম্ফিস ডিপাইও বেশ কিছু সুযোগ নষ্ট করেছেন, যার একটি ছিল ফ্রি-কিক। ৭৯ মিনিটে লুক ডি ইয়ং অসাধারণ এক সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেননি।

শেষমেশ ৯০ মিনিটে আরাউহোর কল্যাণে গোল আসে বার্সেলোনার কাছে। এই নিয়ে চার ম্যাচ খেলে দুটিতেই ড্র করল বার্সেলোনা। দুই জয় ও দুই ড্র নিয়ে মোট ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ৭ নম্বরে আছে দলটা। ওদিকে লিগের শীর্ষে আছে গতকাল ভ্যালেন্সিয়াকে তাদের মাটিতেই হারিয়ে আসা রিয়াল মাদ্রিদ। এর মধ্যেই বার্সার চেয়ে ৫ পয়েন্টে এগিয়ে আছে তারা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন