বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গতকাল ৭৩ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল সিটি। ৭৮ মিনিটে স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে তুলে নিয়ে নামানো হয় গ্রিলিশকে। নেমে দারুণ কিছু আক্রমণ করেছিলেন। ৮৬ ও ৮৭ মিনিটে দুটো গোলও করে ফেলেছিলেন প্রায়। প্রথমে তাঁর শট গোললাইন থেকে ফিরিয়েছেন ফারলাঁ মেন্দি। পরের মিনিটে তাঁর আরেকটি শট থিবো কোর্তোয়ার বুটের স্পর্শ পাওয়ায় একটুর জন্য গোলে যায়নি।

রিয়ালের দ্বিতীয় গোলে গ্রিলিশের দায় ছিল কিছুটা। যে ক্রস থেকে রদ্রিগো গোল করেছেন, সেটি দানি কারভাহাল করেছিলেন। ক্রস করার আগে তাঁর পাশেই ছিলেন গ্রিলিশ।

সাবেক আর্সেনাল কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গার এই গোলের পর গ্রিলিশকে ধুয়ে দিয়েছেন। বিইন স্পোর্টসে বলেছেন, ‘১-১ অবস্থায় গ্রিলিশ কারভাহালের সঙ্গে ছিল। ওকে খুব সহজেই পার করেছে কারভাহাল। ওর অবশ্যই এই ক্রস আটকানো উচিত ছিল। ওই অবস্থায় কখনো বক্সে বল যেতে দিতে পারেন না, সবাই এগিয়ে গেলে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’

তবু পারফরম্যান্সের দিক থেকে কাল গ্রিলিশের চেয়ে ভালো খেলেছেন খুব কম সিটি খেলোয়াড়ই। তবু ম্যাচের শেষে তাঁর দিকে তোপ দাগার সম্ভাবনা উঠেছিল। কারণ, ৮ বছর আগে করা তাঁর এক টুইট। ২০১৪ সালের ২৩ এপ্রিল ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে খেলতে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখ। রিয়ালের ডাগআউটে কার্লো আনচেলত্তি, অন্যদিকে পেপ গার্দিওলা; গতকালের মতোই।

default-image

সে ম্যাচে রিয়াল জয় পেয়েছিল ১-০ গোলে। জয়ের পর রিয়াল সমর্থক গ্রিলিশ মহা উৎসাহে টুইট করেছিলেন ‘হালা মাদ্রিদ’ লিখে। রিয়াল সমর্থকদের প্রিয় এই স্লোগানের মানে এগিয়ে যাও মাদ্রিদ। আট বছর আগের টুইট, সে সময় গ্রিলিশ সিটিতেও খেলতেন না। কিন্তু ম্যাচ শেষে সে টুইটই আবার ছড়িয়ে পড়ে সবখানে। দল মাত্রই হেরেছে, এমন অবস্থায় নিজ দলের এক খেলোয়াড়ের টুইটে ‘মাদ্রিদ এগিয়ে যাও’, সিটি সমর্থকদের এটা ভালো লাগছিল না।

গ্রিলিশ অবশ্য খুব বেশিক্ষণ এটা চলতে দেননি। একটু পরই সে টুইট মুছে ফেলেছেন। কিন্তু এর আগেই যা হওয়ার হয়ে গেছে। মাদ্রিদ–সংক্রান্ত গ্রিলিশের আগের আরও দুটি টুইটও হাজির হয়েছে। সেবার সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগেও টুইটারে ব্যস্ত ছিলেন গ্রিলিশ। সেদিন সের্হিও রামোস ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জোড়া গোলে ৪-০ ব্যবধানে জিতেছিল রিয়াল। সেদিনও টুইট করেছিলেন, ‘হালা মাদ্রিদ! রামোস আপনিই সেরা!’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন