বিজ্ঞাপন

করোনা থেকে মাত্রই সেরে উঠেছেন, তাই তাঁকে একাদশে নামানোর ঝুঁকি নেননি কোচ আন্দ্রেয়া পিরলো। ১৪ মিনিটে আলভারো মোরাতার গোলে এগিয়ে গেলেও প্রথমার্ধ সমতায় শেষ করে জুভেন্টাস। ৫৬ মিনিটে তাই পাওলো দিবালাকে তুলে নিয়ে মাঠে পাঠানো হলো রোনালদোকে। ফল পেতে মাত্র তিন মিনিট লাগল। মোরাতার কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন ডি-বক্সের বাইরে। দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়লেন। গোলরক্ষককে এগিয়ে আসতে দেখে তাঁকেও কাটিয়ে একটু ডানে সরে গেলেন। যখন নিশ্চিত হলেন গোলরক্ষক আর বাধা হতে পারছেন না, তখন ঠান্ডা মাথায় বল পাঠিয়ে দিলেন জালে। ব্যস, সঙ্গে সঙ্গে পরিচিত সেই উদযাপন, ‘সিইইইই!’

default-image

মাঠে রোনালদোর উপস্থিতি জুভেন্টাসের খেলাতেও প্রভাব পড়েছে। ৬৭ মিনিটেই দলকে আবার এগিয়ে দিয়েছেন আদ্রিয়াঁ রাবিও। কিয়েসার পাস থেকে তাঁর এ গোলের পরও থামেনি জুভেন্টাস। ৭৬ মিনিটে ওই কিয়েসাই আদায় করেছেন পেনাল্টি। সেখান থেকে দারুণ এক পানেনকায় নিজের দ্বিতীয় গোল পেয়ে গেছেন রোনালদো। ম্যাচের বাকি সময়টা বেশ চাপ সহ্য করতে হয়েছে জুভেন্টাসকে। নিজেদের মাঠে ৪-১ গোলের হারের কষ্টটা ব্যবধান কমিয়ে ভুলতে চেয়েছিল স্বাগতিকেরা। কিন্তু জুভেন্টাস রক্ষণের বড় পরীক্ষা নেওয়া হয়নি তাদের।

এ জয়ে লিগে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এল জুভেন্টাস। ৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পাওয়া জুভেন্টাস ৪ পয়েন্টে পিছিয়ে আছে শীর্ষে থাকা এসি মিলানের চেয়ে। তবে আজ নাপোলি ও সাসসুয়োলোর ম্যাচ ড্র না হলে দ্বিতীয় স্থান হারাতে হবে জুভেন্টাসকে। ৫ ম্যাচে সমান ১১ পয়েন্ট নাপোলি ও সাসসুয়োলোর।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন