আজ এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে চেলসির ওয়েবসাইটে, ‘চেলসি ফুটবল ক্লাব নিশ্চিত করছে, টড বোয়েলির নেতৃত্বে ক্লিয়ারলেক ক্যাপিটাল, মার্ক ওয়াল্টার এবং হ্যানসজর্গ ওয়েস ক্লাবের নতুন মালিক হতে চুক্তিপত্রে সম্মত হয়েছেন।’

চেলসি কেনার প্রক্রিয়ায় বোয়েলির এই ব্যবসায়িক গ্রুপের মধ্যে থাকা হ্যানসজর্গ ওয়েস একজন সুইস বিলিয়নিয়ার, মার্ক ওয়াল্টার মার্কিন ব্যবসায়ী, জোনাথন গোল্ডস্টেইন ব্রিটিশ ব্যবসায়ী এবং ক্লিয়ারলেক ক্যাপিটাল একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান।

default-image

চেলসি কেনার প্রক্রিয়ায় মোট ৪৯০ কোটি ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা) ব্যয় হবে বোয়েলির। এই টাকার সিংহভাগ তিনি খরচ করবেন ক্লাবের শেয়ার কিনতে। বাকি অংশ অন্যান্য ছোট ছোট খাতে বিনিয়োগ করবেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গত সপ্তাহেই মোটামুটি নিশ্চিত করেছিল, মার্কিন এই ধনকুবের চেলসিকে কেনার প্রক্রিয়া অনানুষ্ঠানিকভাবে সেরে ফেলেছেন।

বোয়েলি যুক্তরাস্ট্রের বেসবল দল লস অ্যাঞ্জেলেস ডজার্সের মালিক, হোল্ডিং প্রতিষ্ঠান এলডিরিজ ইন্ডাস্ট্রিজের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং এনবিএ দল লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সেও আংশিক শেয়ার আছে তাঁর।

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সহযোগী বলে ইংল্যান্ডে ঝামেলায় পড়েন রোমান আব্রামোভিচ। রুশ এই তেল-গ্যাস ব্যবসায়ী গত মার্চে যখন চেলসি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন, তখন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বোয়েলির গ্রুপের চেলসিকে কেনার চেষ্টার খবর জানিয়েছিল।

চেলসিকে কেনার দৌড়ে বোয়েলির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এনবিএ দল বোস্টন সেল্টিকসের সহ–মালিক ও আমেরিকান ব্যবসায়ী স্টিফেন পাগলিউকা ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস গ্রুপের (আইএজি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্যার মার্টিন ব্রটন। এক পর্যায়ে তাঁদের বলে দেওয়া হয়, চেলসির সম্ভাব্য ক্রেতা হিসেবে তাঁরা পিছিয়ে আছেন।

শেষবেলায় চেলসিকে কেনার বৃথা চেষ্টা করেছিলেন ইংল্যান্ডের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি স্যার জিম র‌্যাটক্লিফ। শেষ মুহূর্তে ৪২৫ কোটি পাউন্ড দাম হেঁকেও সুবিধা করতে পারেননি তিনি। ২০১৯ সালে চেলসিকে কিনতে আব্রামোভিচকে ২.২ বিলিয়ন পাউন্ডের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বোয়েলি। তখন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ঢোকার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন এই ব্যবসায়ী।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন