আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ‘সুসংবাদ’ দেওয়ার গবেষণাটি করেছে কানাডাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিসিএ। ২০ বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছে তারা।

সুপার কম্পিউটারটি এই ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে আরও একটি চমকপ্রদ মন্তব্য জুড়ে দিয়েছে। সেটি হলো আগামী ১৮ ডিসেম্বর বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা পেনাল্টি শুটআউটে হারাবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দেশ পর্তুগালকে।

বিসিএ নিজেদের এই গবেষণার নাম দিয়েছে, ‘দ্য মোস্ট ইমপর্টেন্ট অব অল আনইমপর্টেন্ট ফোরকাস্ট সেকেন্ড এডিশন: ২০২২ ওয়ার্ল্ড কাপ।’ যেখানে গত পাঁচ বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচের সঙ্গে ইএ স্পোর্টসের ফিফা ভিডিও গেমের তথ্যকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তবে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জেতার পথটা খুব সহজ হবে না বলেও মন্তব্য করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সেখানে বলা হয়েছে, নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনাকে অনেক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যেখানে রোমাঞ্চকর ফাইনালে তারা হারাবে পর্তুগালকে। এই গবেষণা মতে সেমিফাইনালেই থামবে ব্রাজিলের দৌড়। মেসিদের কাছেই শেষ চারে হারবেন নেইমাররা।

বিসিএর রিসার্চ বলছে, ‘অনেক হিসাব-নিকাশের পর আমাদের বিশ্বাস, আর্জেন্টিনা ও মেসিই কাতারে ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরবে। আরও বেশি সম্ভাবনা হলো, আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগালের ফাইনালের ফল পেনাল্টি শটের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে।’

পেনাল্টিতে কেন আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখা সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে নিজেদের পাঁচটি পেনাল্টি শুটআউটের চারটিতেই জিতেছে।

অন্যদিকে পর্তুগালকে এখন পর্যন্ত শুধু একবার পেনাল্টি পরীক্ষায় পড়তে হয়েছে। ২০০৬ সালে সেবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছিলেন রোনালদোরা।

সুপার কম্পিউটারের হিসাব-নিকাশ অবশ্য বাজির দরের সঙ্গে মিলছে না। বেটফেয়ার নামের একটি বেটিং প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, ব্রাজিল এবং ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। যেখানে ব্রাজিলের ক্ষেত্রে বাজির দর হচ্ছে ৫/১। আর ফ্রান্সের ক্ষেত্রে সেটি ৭/১।

বিশ্বকাপের স্নায়ু উত্তেজনার লড়াইয়ে অবশ্য এসব হিসাব-নিকাশ ও বাজির দর বদলে যেতে পারে। এমনকি হিসাবের বাইরে থাকা কোনো দলও সবাইকে চমকে বাজিমাত করে পাশার দান উল্টে দিতে পারে।