ইংল্যান্ডের এমন জয়, তবু ভয় পাচ্ছেন রুনি
শেষ পর্যন্ত জিতেছে ইংল্যান্ড। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ২–১ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে দলটি। দুটি গোলই করেছেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। তবে এই জয়েও পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছেন না ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ওয়েইন রুনি।
আটলান্টায় ম্যাচ শেষে বিবিসির লাইভ সম্প্রচারে ইংল্যান্ডের খেলা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে রুনি বলেছেন, ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা বল হারানোর পরের মুহূর্তগুলো। তাঁর মতে, অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এই দুর্বলতার ভয়াবহ মূল্য দিতে হতে পারে।
রুনির ভাষায়, ‘আমার মতে ইংল্যান্ডের জন্য বড় উদ্বেগের জায়গা আছে। বিশেষ করে ইংল্যান্ড যখন বল হারায়, তখন তারা খুবই উন্মুক্ত হয়ে যায়। যদি এই জায়গাটা ঠিক করতে না পারি, আরও ভালো কোনো দলের বিপক্ষে খেললে আমরা বড় সমস্যায় পড়ব। মাঝমাঠ এতটাই খোলা থাকে যে সেটা উদ্বেগজনক।’
রুনির এ মন্তব্যের পেছনে কারণও আছে। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ইংল্যান্ড জয় পেলেও শুরু থেকেই রক্ষণে বেশ অস্থির ছিল। সপ্তম মিনিটেই ডান দিক থেকে আসা একটি লম্বা পাসে রক্ষণ ভেঙে যায়। জেড স্পেনসের ভুল অবস্থানের সুযোগ নিয়ে গোল করেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। পুরো প্রথমার্ধেই কয়েকবার পাল্টা আক্রমণে বিপাকে পড়তে দেখা গেছে ইংল্যান্ডকে।
দ্বিতীয়ার্ধে অ্যান্থনি গর্ডন মাঠে নামলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৭৫ মিনিটে তাঁর তৈরি সুযোগ থেকে সমতা ফেরান হ্যারি কেইন। এরপর ৮৬ মিনিটে কেইনের দুর্দান্ত শটে জয় নিশ্চিত হয় ইংল্যান্ডের।
রুনির দুশ্চিন্তার মূল কারণ দলটির সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের শক্তিমত্তা। শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো। সেই বাধা পেরোতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। আর সেমিফাইনালে অপেক্ষা করতে পারে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
রুনির মতে, ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে যেভাবে মাঝমাঠ ফাঁকা হয়ে যাচ্ছিল এবং বল হারানোর পর দলটি যেভাবে প্রতি আক্রমণের সুযোগ দিচ্ছিল, ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিপক্ষে সেটি বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।