২০১০ সালে পেশাদার ফুটবল লিগ চালুর পর এটাই ঘরোয়া ফুটবলে কোনো ক্লাবের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়ের নজির। ২০১১-১২ মৌসুমের ফেডারেশন কাপে কক্স সিটিকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র। ২০১৪ সালের পর থেকে স্বাধীনতা কাপেও কোনো দলের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের নজির গড়ল বসুন্ধরা কিংস।

এর আগে ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ৯-১ গোলে হারিয়েছিল ফরাশগঞ্জকে। এ ছাড়া স্বাধীনতা কাপের গত মৌসুমে বসুন্ধরা কিংস ৬-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে। আর ২০১৬ সালে আবাহনী ৬-০ গোলে জেতে শেখ জামাল ধানমন্ডির বিপক্ষে। একই আসরে সেবার বিজেএমসি ফেনী সকারকে হারায় ৬-০ গোলের ব্যবধানে।

গত মৌসুমে স্বাধীনতা কাপ খেললেও ফেডারেশন কাপে অংশ নেয়নি বসুন্ধরা কিংস। গতবার স্বাধীনতা কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আবাহনী। আর রানার্সআপ হয় বসুন্ধরা কিংস। শুধু প্রিমিয়ার লিগেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। এমনকি এএফসি কাপের গ্রুপ পর্ব থেকেও বিদায় নেয়।

তবে এবার লিগ শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি প্রতিটি টুর্নামেন্টেই সাফল্য চান বসুন্ধরা কিংসের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজোন। সেই অভিযানে নেমে আজ ব্রুজোন ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছে কতটা প্রস্তুত হয়ে মাঠে নামছে তাঁর দল।

গত মৌসুমের বেশির ভাগ ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ায় লিগ চ্যাম্পিয়নরা। দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে এবার নিয়েছে ৯ নতুন ফুটবলার। এর মধ্যে দরিয়েলতন গোমেজ আবাহনী থেকে বসুন্ধরায় নাম লিখিয়ে আরও উজ্জ্বল ছিলেন আজ।

ইয়ংমেন্সের রক্ষণ বলে আসলে কিছু ছিল না। যেন পাড়ার ফুটবল খেলছে দলটি। লিগ চ্যাম্পিয়নদের সামনে পড়ে এতটুকু রক্ষণাত্মক কৌশলও কাজে লাগেনি। বসুন্ধরা কিংসের যে যেভাবে পেরেছেন, গোলমুখে গিয়ে শট নিয়েছেন।

ইয়ংমেন্সের গোলরক্ষক রুবেল হুসাইন কয়েক মিনিট পরপর শুধু জাল থেকে বল কুড়িয়েছেন। অবশ্য ম্যাচের শেষভাগে এসে রুবেলকে তুলে নামানো হয় দ্বিতীয় গোলরক্ষক ওবায়েদ হোসেনকে। কিন্তু তাতেও বসুন্ধরা কিংসের গোল–উৎসব থামানো যায়নি।