default-image

প্রথম ম্যাচে নতুন শিষ্যের পারফরম্যান্সে গার্দিওলা নিশ্চয়ই উচ্ছ্বসিত। প্রথম ম্যাচে নেমেই যদি কেউ জোড়া গোলে দলকে জেতান, তাঁকে নিয়ে যেকোনো কোচই উচ্ছ্বসিত হবেন, এটাই স্বাভাবিক। তবে স্প্যানিশ কোচের উচ্ছ্বাসের মাত্রাটা একটু বেশিই। নিঃসন্দেহে কোচিং জীবনে যত ফুটবলারের ‘গুরু’ হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছাত্রটি ছিলেন লিওনেল মেসি। গার্দিওলা হলান্ডের তুলনাটা টেনেছেন আর্জেন্টাইন তারকার সঙ্গেই।

টকস্পোর্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হলান্ডের মানসিকতাকে তিনি মেসির সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘আমি সত্যিই ভাগ্যবান যে আমি কোচ হিসেবে মেসির সঙ্গে কাজ করেছি। সে যদি এক গোল করত, তাহলে সেটিকে বাড়িয়ে দুটি করতে চাইত, দুটি করলে হ্যাটট্রিক করতে চাইত। সে কখনোই সন্তুষ্ট নয় কোনো কিছুতে। দুনিয়ার সেরা ফুটবলার, সেরা স্ট্রাইকাররা কখনোই অল্পতে সন্তুষ্ট হয় না। নিজেদের অর্জনকে বাড়াতে চায়। তারা সব সময় বাড়তি কিছুর জন্য ক্ষুধার্ত থাকে।’

default-image

এই খিদেটা ঠিকই দেখিয়েছেন হলান্ড, ওয়েস্ট হামের ম্যাচে। জোড়া গোলের পর তিনি স্বাভাবিকভাবেই হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে যখন, ঠিক তখনই গার্দিওলা তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন। ব্যাপারটি যে হলান্ড পছন্দ করেননি, সেটি হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। টেলিভিশন পর্দায় হলান্ডের স্পষ্ট অতৃপ্তি ধরা পড়েছে। এই জায়গাতেই গার্দিওলা হলান্ডকে মিলিয়েছেন মেসির সঙ্গে। হলান্ডের অভিব্যক্তিতে বরং খুশিই গার্দিওলা, ‘এটা ঠিকই আছে। আমি এমনটিই তো চাই। তার খেলা দেখে আমি সত্যি খুশি। সে তো দুটি গোল করেছে। আমি জানি সে আরও গোল করবে। সে জন্মেছেই গোল করার জন্য। গোল সে সালজবুর্গের হয়ে করেছে, ডর্টমুন্ডের হয়ে করেছে। আশা করছি, সে এখানেও করে যাবে। তার মানসিকতা মেসির মতোই। এরা কখনোই সন্তুষ্ট হয় না।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন