default-image

এসব নিয়ে এত দিন মুখ খোলেননি লেভানডফস্কি। অবশেষে তিনি সমালোচকদের জবাব দিলেন। একই সঙ্গে তাঁর দলবদল নিয়ে বায়ার্নের টালবাহানা নিয়ে জার্মানির ক্লাবটিকে ধুয়ে দিয়েছেন। তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে ধরে রাখতে চাওয়ায় লেভা খুবই বিরক্ত হয়েছিলেন বলেও বোঝা গেল!

লেভানডফস্কি প্রথমেই কথা বলেছেন হলান্ডের বিষয় নিয়ে। একাদশে জায়গা হারানোর ভয়ে যে তিনি বায়ার্ন ছাড়েননি, সেটা বোঝাতে গিয়ে লেভা বলেন, ‘আমার বায়ার্ন ছাড়ার পেছনে আর্লিংয়ের কোনো ভূমিকা নেই।’

default-image

লেভানডফস্কি এখানেই থামেননি, তিনি বলে চলেন, ‘নিজের জন্য ভালো না হোক, আমার কাছে সত্যিটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আসলে কী ঘটেছে, তা নিয়ে আমি কথা বলতে চাই না। তবে প্রশ্নটা যদি এমন হয় যে আমি তাঁর কারণেই চলে এসেছি কি না, এর উত্তরে আমি বলব, না। সে বায়ার্নে যোগ দিলেও আমার কোনো সমস্যা হতো না।’

হলান্ড সম্পর্কে ওঠা কথা নিয়ে এটুকু বলার পরই বায়ার্নকে ধুয়ে দেন লেভা। তাঁর কথা, ‘একটা বিষয় হলো, কিছু লোক আমাকে সত্যি কথা বলেনি। আমার কাছে সব সময়ই পরিষ্কার থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। কিছু মানুষই ছিল আমার সমস্যা। আমার কাছে হয়তো মনে হয়েছে, এটাই বায়ার্ন থেকে চলে যাওয়া এবং বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার জন্য ভালো সময়।’

তাহলে কি কোনো সতীর্থের সঙ্গে সমস্যা ছিল লেভানডফস্কির? লেভা তেমন কিছু বললেন না, ‘সতীর্থ, স্টাফ আর কোচের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। আমি তাদের মিস করব। আমি সেখানে খুব ভালো সময় কাটিয়েছি। কিন্তু এখন এ অধ্যায়টা শেষ এবং আমি আমার জীবনে নতুন একটি অধ্যায় শুরু করেছি।’

২০১৪ সালে বরুসিয়া থেকে বায়ার্নে নাম লেখান লেভা। এরপর কেটে গেছে আট বছর। সেখানে যদি সুখেই সময় কাটাচ্ছিলেন, তাহলে হঠাৎ চলে আসার কারণটা আসলে কী? সেটা নিয়ে কিছু না বললেও চলে আসার আগে বায়ার্ন তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করেছে, তা নিয়ে একটু যেন বিরক্ত লেভানডফস্কি।

লেভানডফস্কি বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘আমি বায়ার্ন ছাড়ার গত কয়েক সপ্তাহে যা হয়েছে, এটা হয়তো রাজনীতির অংশ। তারা আমাকে বিক্রি করার জন্য যুক্তি খুঁজে বের করতে চেয়েছে। আমাকে এটা সইতেও হয়েছে। যদিও এটা ছিল একটা ফালতু ব্যাপার।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন