এটা জনতার ব্যালন ডি’অর: বেনজেমা

ব্যালন ডি’অর জেতার স্বপ্নটা বেনজেমা মনে গেঁথেছেন ৩০ বছর বয়সেছবি: এএফপি

২১ কিংবা ২২ বছর বয়সই নাকি স্বপ্ন দেখার বয়স। ৩০ বছরের পর তো অনেকেই স্বপ্ন কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন, তা নিয়েই ভাবেন। করিম বেনজেমার বেলায় হয়েছে উল্টোটা। বেনজেমার বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই বেড়েছে আকাঙ্ক্ষা। ৩৪ বছর বয়সে জিতলেন প্রথম ব্যালন ডি’অর। ১৯৫৬ সালে স্ট্যানলি ম্যাথিউসের পর বেশি বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতলেন তিনি। এই ব্যালন ডি’অর জেতার স্বপ্নটা বেনজেমা মনে গেঁথেছেন ৩০ বছর বয়সে।

২০০৯ সালে ২১ বছর বয়সে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন বেনজেমা। তবে দীর্ঘদিন ছিলেন সতীর্থ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ছায়া হয়ে। ২০১৮ সালে রোনালাদো ক্লাব ছাড়ার পর নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেন ফরাসি এ স্ট্রাইকার। ততদিনে তিনি পা রেখেছেন ৩০ বছরে, ‘ব্যালন ডি’অর নিয়ে ভাবনা সব সময়ই ছিল, তবে আমাকে জিততেই হবে, এমনটা ভেবেছি ৩০ বছর পর। আজকের মতো আকাঙ্ক্ষা ২১ কিংবা ২২ বছর বয়সে আমার ছিল না। ৩০–এর পরই ব্যালন ডি’অর নিয়ে খুব গভীরভাবে চিন্তা করেছি।’

রিয়াল মাদ্রিদ তারকা করিম বেনজেমা
ছবি: এএফপি
আরও পড়ুন

ক্লাব ফুটবলের প্রায় শিরোপাই জিতেছেন। তবে দেশের হয়ে বিশ্বকাপ ছোঁয়া হয়নি তাঁর। ২০১৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপ জিতলেও সেক্সটেপ-কাণ্ডে সতীর্থকে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে তখন ফ্রান্স দলের বাইরে ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার। বেনজেমা আগামী মাসে শুরু হওয়া বিশ্বকাপ জিতে আক্ষেপ দূর করতে চান, ‘যখন আমি ফ্রান্স দলে ছিলাম না, সে সময়টা কঠিন ছিল। কিন্তু আমি কখনো হাল ছাড়িনি। বিশ্বকাপ জেতার ইচ্ছা আছে। আশা করছি, কাতার বিশ্বকাপে দলে থাকব। বিশ্বকাপ জেতার জন্য সবকিছুই করতে চাই।’

ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের বর্ষসেরার এ ট্রফি জেতার পর বেনজেমা তাঁর শিকড় ভুলে যাননি। এ অর্জনকে উৎসর্গ করেছেন সাধারণ জনতার প্রতি, ‘আমি কাউকে খুশি করার জন্য ফুটবল খেলি না। আমি ফুটবল দিয়ে মানুষের মনে আবেগ জাগানোর চেষ্টা করি। আমি জানি, মানুষ আমাকে নিয়ে এখন গর্ব করছে। সে জন্যই আমি বলেছি, এটা জনতার ব্যালন ডি’অর।’

আরও পড়ুন