চোটের কারণে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের পর থেকে স্পেনের হয়ে আর মাঠেই নামতে পারেননি তিনি। একসময় একের পর এক হ্যামেস্ট্রিং এবং ঊরুর চোটে ভুগতে থাকেন স্পেনের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করা এই ফুটবলার। ফাতি শেষবার পুরো ম্যাচ খেলেছেন ২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর।

চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে ২০টি ম্যাচে খেলেছেন ফাতি। তবে কোচ জাভি তাঁকে শুরুর একাদশে রেখেছেন মাত্র তিন ম্যাচে। কারণ, সেই চোটের শঙ্কা। এরপরও তরুণ এই ফুটবলারের প্রতি ভরসা রেখেছেন স্পেন কোচ লুইস এনরিকে। প্রথমবার বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়ে ফাতির উচ্ছ্বাসটাও তাই একটু বেশি। উচ্ছ্বসিত তাঁর পরিবারও।

সে উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছেন ফাতির বাবা। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমে কোপেকে ফাতির বাবা বরিস ফাতি বলেন, ‘ফাতি দলে থাকবে কি না, তা ভেবে দল ঘোষণার আগের দিন আমরা ঘুমাতে পারিনি। আমরা কিছুই জানতাম না। ফাতি অনুশীলন ক্যাম্পে ছিল, ও আমাদের ফোন করে চিৎকার করছিল। সৃষ্টিকর্তা মহান। ও খুবই খুশি ছিল। ফাতি ওর কষ্টের পুরস্কার পেয়েছে , যা আমরা ভাবতে পারিনি।’

ফাতির বাবার দাবি, তরুণ ফাতি বিশ্বকাপ খেলার জন্য পুরোটাই ফিট, ‘চোটের কথা ফাতি ভুলেই গেছে। বার্সেলোনায় পুরোদমে খেলছে। আর ও ভালো করেই জানে ফিটনেস কেমন, এখন কী করতে হবে।’

বিশ্বকাপে স্পেনের প্রথম ম্যাচ কোস্টারিকার বিপক্ষে, ২৩ নভেম্বর।