প্লজেনের মাঠে শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে বার্সা। একের পর আক্রমণে প্রতিপক্ষকে রীতিমতো কোণঠাসা করে ফেলে ক্যাম্প ন্যুর দলটি। প্রথম ১৮ মিনিটে বার্সার পজেশন ছিল ৮৩ শতাংশ, বিপরীতে প্লজেনের পজেশন ছিল মাত্র ১৩ শতাংশ। তার আগেই অবশ্য ম্যাচে লিড নেয় বার্সা।

ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটে মার্কোস আলেনসো এগিয়ে দেন বার্সাকে। প্রচেষ্টাটি অবশ্য আনসু ফাতির ছিল। তবে সেটি প্রায় রুখেই দিয়েছিল প্লজেন গোলরক্ষক। শেষ মুহূর্তে এগিয়ে গিয়ে বল জালে জড়ানোর কাজটি সম্পন্ন করেন আলেনসো।

এগিয়ে গিয়েও আক্রমণের ধারা থেকে সরে আসেনি বার্সা। উল্টো বিদায়ের জ্বালা মেটাতে বোধহয় চেক ক্লাবটির ওপর চেপেই বসে তারা। একের পর এক আক্রমণে নিজেদের শক্তির প্রমাণও যেন দিতে চেয়েছে বার্সা।

বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে বার্সাকে দ্বিতীয়বারের মতো এগিয়ে দেন ফেরান তোরেস। কাছাকাছি জায়গা থেকে দারুণ এক ভলিতে গোল করেন এই স্প্যানিশ তারকা। প্রথমে জর্দি আলবাকে অফসাইড ধরে নিয়ে বাতিল করা হয় সেই গোল। পরে ভিএআরের সাহায্য নিয়ে গোলের সিদ্ধান্ত জানান রেফারি।

বিরতির পর অবশ্য বার্সাকে কাঁপিয়েই দিয়েছিল প্লজেন। ঘরের মাঠে ম্যাচের ৫১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান থমাস কোরি। পরে ৬৩ মিনিটে সেই কোরিই ব্যবধান ৩-২ করেন।

এ সময় বার্সার সান্ত্বনার জয়টিও মনে হচ্ছিল শঙ্কায়। তবে সে শঙ্কা দূর করেন পাবলো তোরে। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে রাফিনহার সহায়তাতেই গোলটি করেন তোরে। এই গোলটিতেই শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত হয় বার্সার জয়।

বায়ার্নের ছয়ে ছয়

ঘরোয়া লিগে কিছুটা খুঁড়িয়ে চললেও ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে বায়ার্ন যেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। যে গ্রুপটিকে মরণকূপ বলা হচ্ছিল সেটিতেই জার্মান পরাশক্তিরা পেয়েছে ছয় ম্যাচে ছয় জয়। সর্বশেষ এই ম্যাচে বায়ার্ন ২-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টারকে।

৩২ মিনিটে বেঞ্জামিন পাভার্দের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৭২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে চুপো-মোটিং। বলা বাহুল্য, টানা জয়ে গ্রুপ পর্বে শীর্ষে থেকেই নকআউটে যাবেন মুলার-মানেরা।