default-image

গোলাম রব্বানী

কোচ

কাল (পরশু) ছিল আমার বিবাহবার্ষিকী। মেয়েরা যে আমাকে বিশেষ দিনে এত বড় উপহার দেবে, বুঝতে পারিনি। ওরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ভালো ফুটবল উপহার দেবে। আমাদের লক্ষ্য ছিল ২০২৪ সালে সাফ জেতা। কিন্তু এর দুই বছর আগেই সোনার মেয়েরা আমাকে একটা ট্রফি উপহার দিয়েছে। আমার কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা অর্জন এটা। আমরা দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল। মেয়েরা দেশের মানুষকে সেরা উপহার দিয়েছে।

default-image

শিউলি আজিম

ডিফেন্ডার

বেশি ভালো লাগছে কারণ, নেপাল থেকেই আমাদের নতুন যুগের শুরু। ২০১৫ সালে নেপালেই অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। এবার সিনিয়র ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে স্বপ্ন সত্যি হলো।

default-image

শামসুন্নাহার সিনিয়র

ডিফেন্ডার

১৬ কোটি মানুষের জন্য ট্রফি নিয়ে দেশে যেতে পারছি, এটাই বড় কথা। আমরা পরিশ্রমের ফল পেয়েছি। বিশ্বাস ছিল পারব। শেষ বাঁশি বাজার পর মনে হলো, সত্যিই পেরেছি।

default-image

আঁখি খাতুন

ডিফেন্ডার

ট্রফিটা হাতে তোলার অনুভূতিই অন্য রকম। হোটেলে ফিরে মা–বাবার ফোন পেয়েছি। গ্রামের সবাই একসঙ্গে খেলা দেখেছে। ওদের মিষ্টি খাওয়া, বাজি ফোটানোর ভিডিও দেখে আনন্দ লেগেছে।

default-image

মাসুরা পারভীন

ডিফেন্ডার

পুরো বাংলাদেশ আমাদের নিয়ে মেতে আছে। ফেসবুকজুড়ে আমরা। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে আমাদের ২৩ জনকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এই আনন্দ বলে বোঝানো যাবে না।

default-image

মণিকা চাকমা

মিডফিল্ডার

সবার মনোভাব ছিল, যেভাবেই হোক জিততে হবে। গ্যালারিভর্তি দর্শকের সামনে জিতে আমরা প্রমাণ করেছি যে আমরা বড় হয়েছি। তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্তও বিশ্বাস হচ্ছিল না আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।

default-image

সানজিদা আক্তার

মিডফিল্ডার

ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। এবার ছাদখোলা বাসে চড়ে বাফুফেতে যেতে চাই। ইউরোপিয়ান লিগে দেখেছি, চ্যাম্পিয়নরা কীভাবে বাসে আনন্দ করে। আমাদেরও ইচ্ছা করে সেভাবে যেতে।

default-image

মারিয়া মান্দা

মিডফিল্ডার

আনন্দে রাতে ঘুম হয়নি। এত বড় অর্জন এসেছে নিজেদের আত্মবিশ্বাসের কারণে। এত দিনের পরিশ্রমের ফল পেয়েছি। দেশের মানুষ আমাদের এত ভালোবাসে, সেটার আবার প্রমাণ পেয়েছি।

default-image

কৃষ্ণা রানী সরকার

স্ট্রাইকার

এত বড় অর্জনের অংশ হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। কাল (আজ) দেখা হবে ঢাকায়। আমরা ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উল্লাস করব।

default-image

সিরাত জাহান

স্ট্রাইকার

ফাইনালে পুরো সময় খেলতে পারিনি। আমার ব্যথাটা কমেনি এখনো। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন ট্রফি হাতে নেওয়ার পর মনে হলো, ব্যথা নেই শরীরে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

default-image

তহুরা খাতুন

স্ট্রাইকার

হোটেলে ফিরে মনে হচ্ছিল, আসলেই কি আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি? নেপালে বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার শুরু আমাদের। সেই নেপালেই এবার সিনিয়রদের মধ্যে সেরা হয়েছি। এই অনুভূতি অসাধারণ।

default-image

নীলুফার ইয়াসমিন

ডিফেন্ডার

আমার কেন যেন এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না! মনে হচ্ছে, কাল আবার ফাইনাল খেলব। ক্লান্তি নেই। ভেতরে রোমাঞ্চ কাজ করছে। কিন্তু সত্যি এখন আমরা দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল।

default-image

ঋতুপর্ণা চাকমা

মিডফিল্ডার

এই ট্রফি আমাদের নয়, এটা ১৬ কোটি মানুষের ট্রফি। ১৬ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি, আমাদের স্বপ্ন সত্যি করতে পেরেছি। ইতিহাসের পাতায় নাম লিখে ভালো লাগছে।

default-image

শামসুন্নাহার জুনিয়র

স্ট্রাইকার

বাংলাদেশের মানুষ অনেক দিন পর ফুটবল দেখে আনন্দ পেয়েছে। দেশের মানুষেরা আস্থা রেখেছিল আমাদের ওপর, সেই আস্থার প্রতিদান দিতে পেরে ভালো লাগছে।

default-image

রুপনা চাকমা

গোলরক্ষক

আগে থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, এবার ভালো কিছু করব। তবে সেটা যে এত ভালো হবে, কল্পনা করিনি। জাতীয় দলে প্রথমবার সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছি, আমার আনন্দটা তাই একটু বেশি।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন