default-image

সুযোগ এসেছিল ব্রেস্তেরও। সে সুযোগ তাঁরা কাজে লাগিয়ে ম্যাচে এগিয়ে যেতে পারেনি। তবে ৩০ মিনিটেই নেইমারের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। গোলপোস্টের ৩০ গজ দূর থেকে মেসির দেওয়া পাস থেকেই গোল আদায় করেন নেইমার। চলতি মৌসুমে পিএসজি ভক্তদের জন্য এমন দৃশ্য বেশ পরিচিত। এ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি নেইমারের ১০ নম্বর গোল। আর অ্যাসিস্টের তালিকায় মেসির সপ্তম। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে বড় কোনো সুযোগ পায়নি কোনো দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও দাপট দেখায় পিএসজি। ৫৮ মিনিটে মেসি-এমবাপ্পের দারুণ রসায়নে আরও এক সুযোগ তৈরি হলেও গোল আসেনি। ৬৯ মিনিটে সহজ এক গোলের সুযোগ আসে মেসির সামনে, তবে তাঁর দুর্বল শট ব্রেস্তের গোলকিপারকে পরাস্ত করতে যথেষ্ট ছিল না। ৭০ মিনিটে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় ব্রেস্ত। নোয়াহ ফাদিগাকে ফাউল করায় প্রেসনেল কিমপেম্বে হলুদ কার্ড তো পেয়েছেনই, ব্রেস্তকে পেনাল্টিও উপহার দেন। তবে ইসলাম স্লিমানির নেওয়া শটটা বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচিয়ে দেন পিএসজি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা।

default-image

৭৭ মিনিটে এমবাপ্পের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন পাবলো সারাবিয়া। ৭৯ মিনিটে নেইমারকেও তুলে নেন পিএসজি কোচ ক্রিস্তফ গালতিয়ের। বেঞ্চের শক্তি পরীক্ষা করতে মেসি এমবাপ্পে,নেইমারদের ডাগআউটে বসতে হবে, তা আগে থেকেই জানিয়ে রেখেছিলেন গালতিয়ের। ধারাবাহিকভাবে প্রায় প্রতি ম্যাচে মাঠে তাঁর বাস্তবায়নও দেখা যাচ্ছে। শেষদিকে ব্রেস্ত আরও কয়েকটি সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে না পারলে ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন মেসিরা।

এই জয়ে ৭ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে পিএসজি।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন