অ্যানফিল্ডে ৬ মিনিটেই গোল পেলেও তা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি লিভারপুল। ৯ মিনিটেই চে অ্যাডামসের গোলে সমতায় ফেরে সাউদাম্পটন। ব্যস্‌, এটুকুই।

প্রথমার্ধে সাউদাম্পটনের সাফল্য বলতে শুধু এই ১ গোল। বাকি সময়ে লিভারপুলের প্রভাব এতটাই ছিল যে আর্সেনালের সাবেক ফুটবলার পল মারসন ম্যাচ চলার সময়ই বলেছেন- ‘পুরোটাই লিভারপুলময়’। এ সময়ে নিজেদের গুছিয়ে নেওয়া তো দূরের কথা, বলও পেতেই সংগ্রাম করতে হয়েছে সাউদাম্পটনকে। ততক্ষণে ফিরমিনো-নুনিয়েজ-রবার্টসন রসায়নে এগিয়ে যায় অল রেডরা।

অ্যাডামসের গোলের পর ম্যাচে সমতা থাকে মাত্র ১২ মিনিট। এরপরই গোল করেন নুনিয়েজ। ৪২ মিনিটে আরও একবার বল জালে জড়ান নুনিয়েজ। এটি প্রিমিয়ার লিগে তাঁর পঞ্চম গোল। প্রথমার্ধে লিভারপুল শট নেয় ৮টি, যার ৭টিই থাকে গোলপোস্টে।

বিরতি শেষেও সেই একই ছন্দেই শুরু করে লিভারপুল। ৪৯ মিনিটেই দ্বিতীয় গোল পেতে পারতেন ফিরমিনো। তবে অল্পের জন্য বল জালে জড়াতে পারেননি।

ফিরমিনোরা ছন্দে থাকলেও এই ম্যাচে নিষ্প্রভ ছিলেন মোহাম্মদ সালাহ। কয়েকবার সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। সালাহ-ফিরমিনোর একাধিক মিসের পর অনেকটাই ঘুরে দাঁড়ায় সাউদাম্পটন। তবে আলিসন বেকারের বীরত্বে ম্যাচের ফলে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। এই জয়ের পর পয়েন্ট তালিকার ষষ্ঠ স্থানে আছে লিভারপুল।

অন্যদিকে লিগের আরেক ম্যাচে কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে টটেনহাম। তিনবার পিছিয়ে পড়েও লিডসকে হারিয়েছে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে। পয়েন্ট তালিকায় টটেনহামের অবস্থান এখন তৃতীয় স্থানে। যদিও চেলসি–নিউক্যাসল ম্যাচে নিউক্যাসল জয় পেলে তিন নম্বর জায়গা ছাড়তে হবে তাদের।