কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য, বিদেশি কর্মীরা যেন নিজেদের আবাসস্থলের আশপাশে আনন্দমুখর পরিবেশে খেলা দেখার সুযোগ পান। এতে রাজধানী দোহায় মানুষের চাপ কমবে এবং বিদেশি দর্শকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের সুযোগ পাবেন বলেই মনে করে কর্তৃপক্ষ।

১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে এসব আয়োজন চলবে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত থাকবে আনন্দ ও বিনোদনমূলক নানা আয়োজন।

কাতারের বিভিন্ন প্রান্তে যে তিনটি জায়গায় বিদেশি শ্রমিকদের জন্য বিনা মূল্যে খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সানাইয়া শিল্পাঞ্চলের এশিয়ান টাউনে অবস্থিত ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও আশপাশ এলাকা।

শুধু বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখা নয়, এই ফ্যানজোনে থাকছে এশিয়ান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশনা। আছে বিনা মূল্যে ওয়াইফাই এবং দর্শকদের জন্য খাবার ও পানীয় বিক্রির স্টল।

এ ছাড়া দোহা থেকে বেশ দূরে সীমান্তবর্তী শহর আলখোরে স্পোর্টস কমপ্লেক্সে আরেকটি ফ্যান জোন স্থাপন করা হয়েছে। এখানেও বিনা মূল্যে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ দেখানো হবে।

তৃতীয় ফ্যান জোনটি স্থাপন করা হয়েছে নিউ সানাইয়া নামে পরিচিত নিউ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায়। এখানে বাড়তি আয়োজন হিসেবে থাকছে খেলাধুলার বিভিন্ন প্রতিযোগিতা। পুরস্কারের ব্যবস্থাও থাকছে। এর বাইরে শ্রমিকদের জন্য বিনা মূল্যে রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  

কাতারের বাংলাদেশ দূতাবাসের বর্তমান চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কাতার সরকারের এমন উদ্যোগের ফলে ওই সব শিল্প এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশি শ্রমিকেরা বেশ আনন্দে বিশ্বকাপের খেলাগুলো দেখার সুযোগ পাবেন। ফলে তাঁদের আর দোহায় আসতে হবে না। বরং নিজেদের আশপাশেই তাঁরা বিশ্বকাপের আমেজে থাকতে পারবেন।