কিন্তু ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রেদ, ফার্নান্দেজ, রাশফোর্ডরা আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করেন টটেনহামের রক্ষণে। বিশেষ করে ফ্রেদ যেন অপ্রতিরোধ্যই হয়ে উঠছিলেন। ম্যাচের ৪ মিনিটে টটেনহামের গোলে তিনিই শট নেন।

এরপর একে একে রাশফোর্ড, ফার্নান্দেজ, সানচোরা পরীক্ষা নেন টটেনহামের গোলকিপার উগো লরিসের। সেই পরীক্ষায় প্রথমার্ধে উতরে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল খেয়ে বসেন লরিস।

সানচোর একটি পাস পেয়ে যান বক্সের বাইরে অরক্ষিত থাকা ফ্রেদ। বলটি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের তীব্র গতির শটে লরিসকে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।

এগিয়ে যাওয়ার পর ইউনাইটেড আক্রমণে যেন আরও সংগঠিত হয়ে ওঠে। আন্তোনি–ফ্রেদরা ক্রমাগত চাপ তৈরি করে যেতে থাকে টটেনহামের রক্ষণে। এরই ফল হিসেবে ৬৯ মিনিটে তারা পেয়ে যায় ব্যবধান বাড়ানো গোল।

বক্সের বাইরে বল পেয়ে ড্রিবলিং করে ভেতরে ঢুকে যান ফার্নান্দেজ। বক্সের মাঝামাঝি থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে পাঠান পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

২–০ গোলে পিছিয়ে পড়া টটেনহাম গোল শোধের চেষ্টা করেও সুবিধা করতে পারেনি। হ্যারি কেইন কয়েকটি ভালো সুযোগ পেলেও কখনো ঠিকভাবে শট নিতে ব্যর্থ হয়েছেন, কখনো আবার বঞ্চিত হয়েছেন ইউনাইটেডের গোলকিপার দাভিদ দি হেয়ার বিশ্বস্ত গ্লাভসের কারণে।

তবে দি হেয়া নন, টটেনহামের বিপক্ষে ইউনাইটেডের জয়ের কৃতিত্ব দিতে হবে দলটির আক্রমণভাগকে। পুরো ম্যাচে টটেনহামের রক্ষণকে তটস্থ করে রাখা ইউনাইটেডের আক্রমণভাগ গোলে শট নিয়েছে ২৮টি, এর ১০টিই লক্ষ্যে রেখেছে তারা। বিপরীতে টটেনহাম গোলে ৮টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র ২টি। বিশেষ করে বলতে হবে ফার্নান্দেজের কথা। এই ম্যাচে তিনি একাই ইউনাইটেডের জন্য ৯টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন।

এই জয়ের পর ১০ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে আছে ইউনাইটেড। ষষ্ঠ স্থানে থাকা নিউক্যাসলের পয়েন্ট ১১ মাচে ১৮। আর ২০ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে চেলসি। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের পয়েন্ট ১০ ম্যাচে ২৭। টটেনহাম ১১ ম্যাচ খেলে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে। আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্টও ২৩, তবে ম্যাচ খেলেছে একটি কম।