চেলসি থেকে গত বছর ধারে মিলানে যোগ দেন এই ফরাসি মিডফিল্ডার। মার্শেইয়ে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ক্লাবটির সঙ্গে নীতিগত বিষয়াদি নিয়ে বেশ আগেই ঐকমত্যে পৌঁছেছেন বাকায়োকো।

ফরাসি ফুটবলে দলবদলের খবর দেওয়ায় বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম ‘ফুত মেরকাতো’ জানিয়েছে, মার্শেইয়ের সঙ্গে নাকি চার বছরের চুক্তি করতে মনস্থির করেছেন। যেকোনো মুহূর্তে চুক্তি পাকা হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ ইতালি ছাড়ি ছাড়ি করছেন বাকায়োকো। এর মধ্যে কিনা এমন ঘটনা!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে। ইতালিয়ান সংবাদকর্মী তানক্রেদি পালমেরি ঘটনাটির ভিডিও টুইটারে পোস্ট করেছেন।

টুইটারে ভিডিওটি আজ ছড়িয়ে পড়ায় দু–একটি সংবাদমাধ্যমসহ অনেকেই ভেবে নিয়েছেন এটি হয়তো সাম্প্রতিক কালের ঘটনা। ইতালিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘কালসিওমেরকাতো’ দাবি করেছে ঘটনাটি গত ৩ জুলাইয়ের।

তবে যেদিনই হোক, ঘটনাটা ভড়কে দেওয়ার মতোই। মিলানের পোর্ট গ্যারিবল্ডির রাস্তায় তল্লাশিচৌকি বসিয়েছিল পুলিশ। বাকায়োকোর গাড়ি থামিয়ে বন্দুকের মুখে তাঁকে গাড়ি থেকে বের করে আনা হয়। এ সময় তাঁর গাড়িতে অন্য একজন ছিলেন। বাকায়োকোকে পুলিশের গাড়ির সামনে হেলান দিয়ে দাঁড় করিয়ে তাঁর পুরো শরীর তল্লাশি চালান এক পুলিশ কর্মকর্তা।

পকেট থেকে বিভিন্ন জিনিস বের করে গাড়ির ওপর রাখেন। বাকি দুই পুলিশের মধ্যে এক নারী কর্মকর্তা বাকায়োকোর গাড়িতে বসে থাকা আরেকজনের প্রতি পিস্তল তাক করে রাখেন। তৃতীয় পুলিশ কর্মকর্তাটি গাড়ির চারপাশ পরখ করে দেখেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা ধীরে ধীরে বুঝতে পারেন ভুল লোককে সন্দেহবশত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ‘কালসিওমেরকাতো’ জানিয়েছে, বাকায়োকোর কাছে পুলিশ কর্মকর্তারা দুঃখ প্রকাশ করে তাঁকে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় মিলানের পুলিশকে বর্ণবাদী বলে সমালোচনা করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

মিলান পুলিশের সদর দপ্তর থেকে এর জবাবে ঘটনাটির ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, ‘(বর্ণবাদের) মন্তব্যগুলো অযৌক্তিক। বাকায়োকো এবং অন্য যাত্রী পূর্ণ সহযোগিতা করায় তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়েছে। (পুলিশ) পরে বুঝেছে, এমন লোককে আটকানো হয়েছে যে কিছুই জানে না।’

মিলান পুলিশের সদর দপ্তর থেকে আরও জানানো হয়, ঘটনার আগের দিন সেখানে বন্দুকযুদ্ধ হওয়ায় পুলিশ তল্লাশিচৌকি স্থাপন করে, ‘আমরা একটি কালো এসইউভি, দুজন কৃঞ্চাঙ্গ, এর মধ্যে একজন সবুজ গেঞ্জি পরিহিত—এমন লোক খুঁজছিলাম।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন