সর্বশেষ মেয়েদের লিগে সর্বোচ্চ গোল করা আকলিমা খাতুন জাতীয় দলে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০২১ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ সাফে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন শাহেদা আক্তার। জাতীয় দলে ঢোকার অপেক্ষায় আছেন তিনিও। পারফরম্যান্স ছাড়া তাই জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়া যে কঠিন হতে পারে সেটাই বললেন গোলাম রব্বানী, ‘এখানে টিকে থাকতে হলে প্রতিযোগিতা করতে হবে। পারফরম্যান্স দেখাতে হবে। বয়সভিত্তিক দল থেকে সিনিয়র দলে ওর পজিশনে আরও অনেক ভালো মানের খেলোয়াড় আছে। তাদের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারলে, খেলায় উন্নতি করতে না পারলে তো জায়গা ছেড়ে দিতেই হবে।’

জাতীয় দলে একসঙ্গে খেলেন দুই যমজ বোন, যাদের মধ্যে আড়াই মিনিটের ছোট আনুচিং মগিনি। ২০১১ সালে বঙ্গমাতা ফুটবল দিয়ে আনুচিং ও আনাই ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০১৩ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা দলের হয়ে খেলেছিলেন আনুচিং। ২০১৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৪ নারী ফুটবলে খেলেন নিজের জেলা খাগড়াছড়ির হয়ে। ২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত সাফে প্রথমবার জাতীয় দলে সুযোগ পান। এরপর বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও বয়সভিত্তিক দলের হয়ে এএফসি, সাফ, এশিয়া কাপ, জকি কাপ, ও আন্তর্জাতিক প্রীতি টুর্নামেন্টে খেলেছেন আনুচিং। ২০১৮ সালে ভুটানে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলেও খেলেছেন আনুচিং। ঘরোয়া ফুটবলে খেলেছেন নাসরিন স্পোর্টিং ক্লাব, আতাউর রহমান ভূঁইয়া কলেজ স্পোর্টিং ক্লাব ও বসুন্ধরা কিংসের হয়ে।