সেখানে রোনালদোকে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে আলভেজ বলেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, সে (মাঠে) এক সেকেন্ডের জন্যও স্বস্তিতে থাকতে দেবে না। তার বিপক্ষে আমি খুব খারাপ করিনি, তবে কাজটা কঠিন। কারণ, সে গোলমেশিন।’
মেসি যেমন অন্তরঙ্গ বন্ধু, তেমনি আর্জেন্টাইন তারকাকে মাঝেমধ্যেই সেরা খেলোয়াড় বলে থাকেন আলভেজ। বার্সায় থাকতে এমন কথা অযুতবার বলেছেন।

ইএসপিএনের সাক্ষাৎকারে আলভেজের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, পেলে ও মেসির মধ্যে কাকে বেছে নেবেন? আলভেজের উত্তর, ‘একটা কারণে পেলেকে বেছে নেব; তিনি ফুটবল খেলাটা পাল্টেছেন। আর মেসি একটা প্রজন্ম পাল্টেছে। ফুটবলকে ছাপিয়ে যাওয়া মানুষদেরই আমি পছন্দ করব, আর আমি তো ব্রাজিলিয়ান। পেলের এই বিতর্কে (সর্বকালের সেরা) থাকা উচিত নয়। আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন, ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় কে? আমি মেসিকে বেছে নেব। পেলের এখানে জায়গা নেই।’

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে ২০০৯ সালে রিয়ালে যোগ দেন রোনালদো। স্প্যানিশ ক্লাবটি ছাড়েন ২০১৮ সালে। রোনালদো রিয়ালে থাকতে বার্সার সঙ্গে ভীষণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল মাদ্রিদের ক্লাবটির। তখন ‘এল ক্লাসিকো’য় রোনালদোকে আটকানো ছক কষতে ব্যস্ত সময় পার করতেন আলভেজ–পুয়োলরা। মেসির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের শুরুও বার্সাতেই।

ডান প্রান্তে আলভেজের পাস থেকে মেসির গোল—বার্সায় দৃশ্যটা বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছিল। সেসব দিন যেমন ফুরিয়েছে, আলভেজেরও বয়স বেড়েছে। অবসর নেবেন কবে—এই প্রশ্নের উত্তরটি আলভেজ ছেড়ে দিলেন সময়ের হাতে, ‘আমি পারফর্ম করতে পছন্দ করি। এখনো (ইউএনএএম) ওদের সঙ্গে এক বছর সময় আছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি না। কারণ, কী হবে জানি না। জীবন যেদিকে নিয়ে যাবে সেদিকেই যাব। (মজা করে) মেসি যদি আমাকে পাস দেয়, তাহলে ৫০ বছর বয়সেও খেলব।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন