তবে ৩৬ বছর বয়সী উলভস মিডফিল্ডার জোয়াও মুতিনিওকে রাখেননি সান্তোস। রোনালদোর পর পর্তুগালের হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৪৬টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। রাখা হয়নি গনসালো গেদেসকেও। চোটের কারণে নেই লিভারপুল ফরোয়ার্ড দিয়োগো জোতা।

২০১৬ সালে ইউরো জেতা পর্তুগাল এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। সান্তোস বলছেন, এ দলের সে ক্ষুধাটা আছে, ‘রোনালদোসহ যে খেলোয়াড়দের ডেকেছি, সবার মধ্যেই জয়ের ক্ষুধা আছে, পর্তুগালকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানানোর ক্ষুধা আছে।’

গ্রুপ এইচ-এ আগামী ২৪ নভেম্বর ঘানার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে পর্তুগাল। এরপর উরুগুয়ের সঙ্গে পর্তুগালের ম্যাচ ২৮ নভেম্বর, দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ২ ডিসেম্বর।

বিশ্বকাপে পর্তুগাল স্কোয়াড
গোলরক্ষক: দিয়োগো কস্তা (পোর্তো), রুই পাত্রিসিও (রোমা), জোসে সা (উলভারহাম্পটন)
ডিফেন্ডার: দিয়োগো দালোত (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), জোয়াও কানসেলো (ম্যানচেস্টার সিটি), দানিলো পেরেইরা (পিএসজি), পেপে (পোর্তো), রুবেন দিয়াস (ম্যানচেস্টার সিটি), আন্তনিও সিলভা (বেনফিকা), নুনো মেন্দেস (পিএসজি), রাফায়েল গেরেইরো (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড)
মিডফিল্ডার: রুবেন নেভেস (উলভারহাম্পটন), জোয়াও পালিয়ানিয়া (ফুলহাম), উইলিয়াম কারভালিও (রিয়াল বেতিস), ব্রুনো ফার্নান্দেস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ভিতিনিয়া (পিএসজি), ওতাভিও (পোর্তো), জোয়াও মারিও (বেনফিকা), মাথিউস নুনেস (উলভারহাম্পটন), বের্নার্দো সিলভা (ম্যানচেস্টার সিটি)
ফরোয়ার্ড: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রাফায়েল লিয়াও (এসি মিলান), জোয়াও ফেলিক্স (আতলেতিকো মাদ্রিদ), রিকার্দো হোর্তা (ব্রাগ), গোনসালো রামোস (বেনফিকা), , আন্দ্রে সিলভা (আরবি লাইপজিগ)