কুল–বিএসপিএ ক্রীড়া পুরস্কারে বর্ষসেরা হামজা চৌধুরী
বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) ২০২৫ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন হামজা চৌধুরী। ২৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় বিচারকদের রায়ে বর্ষসেরা ফুটবলার এবং ক্রীড়াপ্রেমীদের ভোটে পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ডও জিতেছেন।
আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিএসপিএ আয়োজিত ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অনুষ্ঠানে বর্ষসেরার নাম ঘোষণা করা হয়। অন্য দুটি ঘোষিত হয় আগেই। লেস্টার সিটিতে খেলা হামজা অনুষ্ঠানে ছিলেন না।
বর্ষসেরার পুরস্কারে হামজার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা ও হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম। অন্য দুজনকে টপকে বর্ষসেরা হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় হামজা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি এই পুরস্কার পেয়ে খুবই গর্ববোধ করছি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড দেশের ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার। আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ ও বন্ধুদের এবং ফ্যানদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সারা বছর ধরে আমাকে ও জাতীয় দলকে সাপোর্ট দেওয়া জন্য।’
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড অনেক বছর ধরে হয়ে আসছে। আগে ফুটবলার হিসেবে এখানে আসতাম। এখন ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে এলাম। আমার মনে হয়, এটি আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের অর্জন।’
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সিইও মালিক মোহাম্মদ সাইদ। স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্র্যান্ড কুল এবার নিয়ে টানা ১১ বার বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। মালিক মোহাম্মদ সাইদ বলেন, ‘বিএসপিএ ক্রীড়া সাংবাদিকদের প্রাচীন সংগঠন। এই অ্যাওয়ার্ডে আমাদের সঙ্গে রাখার জন্য আমি বিএসপিএকে ধন্যবাদ জানাই।’
১৯৬৪ সালে দেশে প্রথম ক্রীড়া পুরস্কারের প্রবর্তন করা বিএসপিএ এবার ১৬টি বিভাগে সর্বমোট ১৫ জন বর্তমান ও সাবেক ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সংস্থাকে পুরস্কৃত করেছে।
একনজরে বিজয়ীরা
১. বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ: হামজা চৌধুরী (চ্যাম্পিয়ন), ঋতুপর্ণা চাকমা (রানারআপ), আমিরুল ইসলাম (রানারআপ)।
২. পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড: হামজা চৌধুরী।
৩. বর্ষসেরা ক্রিকেটার: রিশাদ হোসেন।
৪. বর্ষসেরা ফুটবলার: হামজা চৌধুরী ও ঋতুপর্ণা চাকমা।
৫. বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড়: আমিরুল ইসলাম।
৬. বর্ষসেরা আর্চার: আবদুর রহমান আলিফ।
৭. বর্ষসেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড়: খই খই সাই মারমা।
৮. বর্ষসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়: আল আমিন জুমার।
৯. উদীয়মান ক্রীড়াবিদ: রিপন মন্ডল (ক্রিকেট)।
১০. বর্ষসেরা কোচ: পিটার বাটলার (নারী ফুটবল)।
১১. বর্ষসেরা আম্পায়ার: সেলিম লাকী (হকি)।
১২. বর্ষসেরা সংগঠক: কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল (আর্চারি)।
১৩. তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব: আলমগীর কবীর (ক্রিকেট কোচ)।
১৪. বিশেষ সম্মাননা: শাহনাজ পারভীন মালেকা (কাবাডি কোচ)।
১৫. সেরা পৃষ্ঠপোষক: প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।
১৬. সক্রিয় ফেডারেশন: বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন।