দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের ছন্দ থেমেছে হ্যারি ম্যাগুয়ারের চোট পাওয়ার কারণে। খেলার ৭০ মিনিটে মাথায় চোট পান এই ইংলিশ ডিফেন্ডার। তাঁর শুশ্রূষার জন্যও মাঠে বেশ কিছু সময় খেলা বন্ধ ছিল। দুই দফা দুই দলের ফুটবলারের বড়সড় চোটের কারণেই মূলত দুই অর্ধ মিলিয়ে মোট ২৭ মিনিট যোগ হওয়া সময়ে খেলা চালাতে বাধ্য হন রেফারি।

এতেই হয়েছে রেকর্ড। প্রথমার্ধ শেষে যে ১৪ মিনিট যোগ করা সময় দেওয়া হয়েছে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই দীর্ঘতম প্রথমার্ধ। আর সব মিলিয়ে ২৭ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়ায় বিশ্বকাপের ইতিহাসে গ্রুপ পর্বে এটাই সবচেয়ে দীর্ঘতম ম্যাচের রেকর্ড গড়ে ফেলে। যোগ করা সময় মিলিয়ে ম্যাচে খেলা হয়েছে মোট ১১৭ মিনিট।

পেশাদার ফুটবল ম্যাচে এর চেয়েও বেশি যোগ হওয়া সময়ের রেকর্ড দেখেছে দর্শক। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ফুটবল লিগ কাপের (কারাবাও কাপ) ম্যাচে ২৮ মিনিট যোগ হওয়া সময় খেলা চালানোর রেকর্ড রয়েছে। ২০১৯ সালে আলবিওন ও বোর্নমাউথের মধ্যকার ম্যাচে রেফারি ২৮ মিনিট বাড়তি সময় খেলা চালিয়েছিলেন। কারণ? আলবিওনের স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ–বিভ্রাট।