কাদিজের বিপক্ষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়েছে রিয়াল। ৬৭ শতাংশ বলের দখল রেখে ১৮টি শট নিয়েছে তারা। বিপরীতে ১০টি শট নিয়েছে কাদিজ। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও রিয়ালকে অবশ্য এগিয়ে যেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৪০ মিনিট পর্যন্ত। টনি ক্রুসের দুর্দান্ত এক ক্রসে হেডে লক্ষ্য ভেদ করে দলকে এগিয়ে দেন এদের মিলিতাও।

সমতা ফেরানোর দারুণ কিছু সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি কাদিজ। উল্টো ৭০ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সেই ক্রুসই। শেষ দিকে গিয়ে কাদিজ ব্যবধান কমালেও, তা কেবল সান্ত্বনা হয়ে ছিল।
এই জয়ে ১৪ ম্যাচ শেষে ১১ জয় ও ১ হারে রিয়ালের পয়েন্ট ৩৫। সমান ম্যাচে ১২ জয় ও ১ হারে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকল বার্সেলোনা।

এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের বিরতি শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাসই নিচ্ছেন রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বলেছেন, টানা খেলায় তাঁর দল ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল।

কাদিজের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে বিশ্বকাপের জন্য পাওয়া বিরতি নিয়ে রিয়াল কোচ আনচেলত্তি বলেছেন, ‘এই বিরতিটা আমরা ভালোভাবেই গ্রহণ করছি, এ ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। আমরা মৌসুমটা ভালোভাবে শুরু করেছিলাম। তবে শেষ দিকে এসে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। আমরা অবশ্য নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করেছি। যথেষ্ট করেছি। আমরা ৩৫ পয়েন্ট পেয়েছি।’

চোটে পড়ে মৌসুমে অনেকগুলো ম্যাচে খেলতে পারেননি দলের অন্যতম সেরা তারকা করিম বেনজেমা। গত মৌসুমে দুর্দান্ত খেলে ব্যালন ডি’অর জেতা এই তারকার অভাব বোধ করার কথা জানিয়ে আনচেলত্তি আরও বলেছেন, ‘আমরা ব্যালন ডি’অর জেতা তারকাকে (বেনজেমা) মিস করেছি। এমন একজন ফরোয়ার্ড, যিনি গত মৌসুমে ৫০ গোল করেছিলেন। এটা সত্যি যে শেষ দিকে এসে আমরা কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।’

রেফারিদের সঙ্গে সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না আনচেলত্তির। কদিন আগে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করে আলোচনায় এসেছিলেন এই ইতালিয়ান কোচ। এদিনও লা লিগায় রেফারিদের লাল কার্ড দেওয়ার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তিনি, ‘আমি স্প্যানিশ ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানগুলো দেখেছি। বড়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড। প্রিমিয়ার লিগের ১০টি লাল কার্ডের বিপরীতে ৫৫টি লাল কার্ড। এমন লাল কার্ড দেওয়া হয়েছে, যা লাল কার্ড ছিল না।’