default-image

শেখ জামালের রক্ষণ বলে আসলে কিছুই ছিল না এই ম্যাচে। বলতে গেলে একরকম অসহায় আত্মসমর্পণই করেছে। স্রোতের বিপরীতে যা একটু লড়াই করেছেন তাদের উজবেক ফরোয়ার্ড ভালিজানভ ওতাবেক। অবশ্য শেষ দিকে যেন শেখ জামালের ফুটবলারদের লড়াই করার মানসিকতাও দেখা যাচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল ম্যাচটা কোনোরকম শেষ হলেই বাঁচেন তারা!

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা আবাহনীর গোল উৎসবের শুরুটা করেন মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ। ম্যাচের ছয় মিনিটে সুশান্ত ত্রিপুরার দুর্দান্ত ক্রস থেকে পাওয়া বলটা শেখ জামালের এক ডিফেন্ডার প্রথমে ক্লিয়ার করেন। কিন্তু ফিরতি বলে সুযোগসন্ধানী ইমন বাঁ পায়ের জোরালো শটে করেছেন গোল। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আরেকটি গোল পেতেই পারতেন ইমন। বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার জোরালো শট অবশ্য সে যাত্রায় ফিস্ট করে ফেরান শেখ জামালের গোলকিপার মোহাম্মদ নাঈম। আক্রমণে জেরবার শেখ জামালের জালে ৩৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেছেন রাফায়েল। কর্নার থেকে কলিনদ্রেসের উড়ে আসা বলে হেডে দারুণভাবে মাথা ছুঁয়ে ২-০ করেছেন রাফায়েল। পুরো ম্যাচেই আসলে দুর্দান্ত খেলেছেন রাফায়েল। নিজে ১টি গোল করলেও ২টি গোল করিয়েছেন। ৪২ মিনিটে আবাহনীর তৃতীয় গোলটি করেন কলিনদ্রেস। এই গোলের জোগানদাতা রাফায়েল। ডান প্রান্ত থেকে আক্রমণে ওঠা রাফায়েলের ক্রসে আলতো করে প্লেসিং করেন কলিনদ্রেস।

জয় নিশ্চিত জেনেও যেন এই ম্যাচে দুর্বার ছিল আবাহনী। দ্বিতীয়ার্ধে আরও গোলের নেশায় মেতে ওঠেন আবাহনীর ফরোয়ার্ডরা। এবার রাফায়েলের ক্রস থেকে নাবিব নেওয়াজ ৭৭ মিনিটে করেন স্কোর ৪-০। আর ৮২ মিনিটে শেখ জামালের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেছেন নাবিব। কর্নার থেকে কলিনদ্রেসের উড়ে আসা বলে দারুণ দক্ষতায় হেডে নাবিব করেছেন ম্যাচের পঞ্চম গোল। সব মিলিয়ে এবারের লিগেও নাবিবের পঞ্চম গোল ছিল এটি। বাকি সময় অবশ্য চেষ্টা করেও কোনো গোল শোধ করতে পারেনি শেখ জামাল।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন